এএইচএম নোমান :: ওয়ার্ল্ড থিংকারস এন্ড রাইটারস পীস মিট উপলক্ষে ২৭-৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ কলকাতায় ছিলাম। মহাত্মা গান্ধীর ১শত ৫০ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উৎসর্গ করা হয়েছে এই মিট। এই সুযোগে শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর রোজ মঙ্গলবার দুপুরে বেকার হোস্টেল ভিজিটের নিয়্যাতে ৩৯এ হরিশ চন্দ্র রোডস্থ হোটেল থেকে বের হই। হলুদ মিটার ট্যাক্সি ২০ রুপি বেশি দিতে হবে চুক্তিতে স্বপন ড্রাইভারের গাড়ীতে রওনা দিলাম একাই। স্বপন কোলকাতার রাস্তাঘাট সব চিনে, আলাপি। সল্টলেক, সুলতান মসজিদ, মৌলানা আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ হয়ে নিম্নমানের চা-দোকানপাট বস্তি ঘেরা ইলিয়ট হোস্টেল গেইটে গাড়ী থামাল ঠিক মতই।

বেকার হোস্টেল গেইট পাশ রাস্তা মেরামতের কাজ চলছে তাই ইলিয়ট হোস্টেলের গেইট দিয়েই হেটে আমার চাহিত বেকার হোস্টেলের গেইটে পৌছাঁলাম। দারোয়ান জানালেন, সুপার বা বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসের অনুমতি ছাড়া বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকক্ষে প্রবেশ বা দেখা যাবেনা।মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমি বঙ্গবন্ধুকে বা তাঁর কক্ষে যেতে পারবোনা বলে কি? কারণ জানতে চাইলে বলে, কয়েকমাস আগে একদল বাংলাদেশী হোস্টেলের গেইট আঙ্গিনায় হৈচৈ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে, তাই এই বিধি ব্যবস্থা। সুপার বা এম্ব্যাসির নাম্বার চাইলাম। যাক শেষ পর্যন্ত বয়সের কারণে বা চেহারা দেখে পাসপোর্টের ফটোকপি দিয়ে সহ-সুপারের সাথে প্রবেশ করলাম। তিনি ছবি মোবাইল ফোনে ভিডিওসহ সব-সহযোগীতা করে ঘুরে ঘুরে দেখান। সেই সুবাদেই আমার প্রাপ্তি ও স্বাদ ধারা বর্ণনা লিখা প্রকাশ। সলীলকে ধন্যবাদ।
(৩১.১২.২০১৯)

কোলকাতার বেকার হোস্টেলের পুরোনো দিনের অভিজাত কাঠের সিড়ি দিয়ে শব্দ পায়ে তিন তলায় উঠে বাম দিক হয়ে ডান কর্ণারের রুমটিতে তিনি থাকতেন। তিনি ছিলেন ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র। যে সিড়ি দিয়ে উঠেছি তা এখন থেকে ১শ১০ বছরের পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে দেয়। আমি এখন জাতির পিতার ছবির সামনে দাঁড়িয়ে আছি এবং আমি খুব অনুপ্রাণিত বোধ করছি। পাশের কক্ষে অনেক ছবি রাখা আছে। বঙ্গবন্ধু হোসেন শহীদ সোহরাও্‌য়ার্দীর সাথে তাঁর ইয়াং বয়সের ছবি, ইন্দিরা গান্ধীর সাথে একটি ছবি স্থান পেয়েছে। আরো দেখতে পাচ্ছি, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে যখন ঢাকায় নেয়া হয় তার বড় একটি ছবিস্মৃতি এখানে আছে। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক এবং বঙ্গবন্ধুর লিখাসহ কিছু মূল্যবান পুস্তক এই মিনি লাইব্রেরীতে স্থান পেয়েছে। আমার সাথে হোস্টেলের যে দুজন ইয়াং ছেলে আছে তাদেরকে বলব এই স্মৃতিগুলো গ্রথিত করে রাখ যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বোঝাতে পার। শহরের ধনীদের চিন্তা চেতনার মধ্যে থেকেও কেন তিনি একটি শোষনহীন সমাজ গড়তে চেয়েছেন এবং কেন তাঁর মধ্যে এই চেতনা আসলো তার সাক্ষী এখানেও আছে। বেকার হোস্টেলে ঢোকার মুখেই বস্তি রয়েছে। মনে হচ্ছে বস্তি চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে।

এটাও একটি উপলব্ধির ব্যাপার। যে এই লোকগুলো অসহায় ও সহায় সম্বলহীন। আর আমরা এইখানে দালানে বাস করছি এবং এই দালানটা কিন্তু লাল রঙের যা ব্রিটিশদের শোষণের একটি প্রতীক। তারা খাজনা তোলার জন্য যেসকল দালান তৈরি করত তার রঙ ছিল লাল।এই লাল রঙকে আমরা বহণ করছি। কিন’ এই লাল রংকে আমাদের শৌর্যে আনতে হবে এবং আমরা যে স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছি তা স্মরন করতে হবে। আর সবুজকে আমরা আনতে পারি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, উন্নয়নের জন্য, সাম্যতার জন্য, এগিয়ে যাওয়ার জন্য, ন্যায্যতার জন্য। যেটা আমরা পেয়েছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাধ্যমে এবং আমরা সেটার ধারক ও বাহক। আমি শ্রী সলীলকে (বেকার হোস্টেলের সহ-সুপার) ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই ভিডিওটি করার জন্য। হোস্টেল সুপারের নাম মোঃ জালাল কাদেরী খুব ভালো লোক ছাত্র ও দারোয়ানরা জানিয়েছেন। তিনি থাকলে ও দেখা হলে ভালো লাগত। আজ আমার লাল-সবুজ জামাটি গায়ে না থাকার কারনে খুবই লজ্জিত বোধ করছি, কষ্ট পাচ্ছি। জাতীয় পতাকার লাল-সবুজ রংয়ের জাতীয় পোষাক হবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি। ‘বাংলাদেশে সার্বভৌম সরকার প্রতিষ্ঠা’ শিরোনামে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ, তা এখানে স্থান পেয়েছে। এখানে হোস্টেলের বঙ্গবন্ধুর কক্ষের পাশের মাঠে যে গাছগুলো, আমার মনে হয় তাঁর স্মৃতি বহন করে সেগুলো বঙ্গবন্ধুর আমলেও ছিল কারণ গাছের চেহারায় ও বয়সে বোঝা যায়। ডেঙ্গুর প্রকোপ এখানেও আছে বুঝা যায়, হোস্টেল মাঠে একটি গাছের ডালে হিন্দিতে (?) ডেঙ্গু প্রতিরোধ স্লোগানে সাবধান বাণী লেখা আছে।

কিভাবে ভাষায় বর্ণনা করব বুঝতে পারছি না, আমি আবেগে আপ্লুত। বঙ্গবন্ধু বেকার হোস্টেলের যে রুমে থাকতেন আমি সেই রুমে প্রবেশ করি। তাঁর সেই চেয়ার, উনি যেই খাটে ঘুমাতেন। খাটটি ৩ থেকে ৪ ফুট চওড়া হবে। এখানে তিনি শুতেন। যে চেয়ারে বসে পড়তেন সে চেয়ারে অনেক সাহস সঞ্চার করে বসলাম। এই কাঠের চেয়ারটা একশ বছর উপরের পুরোনো হবে, পড়ার টেবিলটাও সেই রকমই আছে। জানালা এবং দরজাটাও আগের মতোই আছে। শুধু দেয়ালে নতুন কাঠের কাজ করা হয়েছে। এছাড়া বেশিরভাগই অরিজিনাল। আমি আমাদের জাতির পিতার ছাত্র অবস্থার রুমে বসা। এরচেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কি হতে পারে ! তিনি জান্নাতবাসী হউন। এই দোয়া করি, আমিন। বঙ্গবন্ধু যেই রুমটাতে ছিলেন কক্ষ নং ২৪। তার পাশের রুমটার মাঝখানে দরজা করা হয়েছে। সদস্য সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি স্মৃতি কক্ষ ফলক উন্মোচন করেন। যেখানে স্মৃতিকক্ষের পাথরের ফলকে বঙ্গবন্ধু এখানে ১৯৪৫-৪৬ শিক্ষাবর্ষে ছিলেন লেখা আছে। তাঁরই সেই হোস্টেলে এখন বাংলাদেশের দুজন ছাত্র আবাসিক থেকে পড়াশোনা করছে। একজনের বাড়ী ভোলা, যা আমার জন্মস্থান। তার নাম আবিদ, সে মাইক্রোবায়োলজিতে পড়ছে। আরেকজন হচ্ছে মোঃ রিয়াজুল ইসলাম একাউন্টিংয়ে পড়ছে। ওর বাড়ী ঢলুয়া, বরগুনাতে। সত্তর দশকে গ্রামোন্নয়নের পথ খোঁজার তাগিদে ঢলুয়া গিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু সেখানে যে কক্ষে বিছানায় শুতেন-ঘুমাতেন ছিলেন। পলকহীন দৃষ্টিতে সেখানে দাঁড়িয়ে আছি। এটি একটি গর্বের বিষয় যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সাক্ষী রইল। যাতে দেশটা আমরা এগিয়ে নিতে পারি, বৈষম্য ও শোষণহীন সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি।

সে ধরণের চিন্তা চেতনায় যাতে ছাত্ররা গড়ে উঠতে পারে- সেই কামনা করি। বাংলাদেশে এখন উন্নয়ন কাজ হচ্ছে যেমন পায়রা বন্দর, পদ্মা সেতু, মেঘনা সেতু কিন’ শুধু অবকাঠামো গড়লেই হবেনা বরং মানুষকে গড়ে তুলতে হবে। মানুষ ছাড়া শুধু ইটবালু সিমেন্টের দালানকোঠা গড়ে কোন লাভ নাই, আমাদের ত্যাগী হতে হবে। সত্তরের দশকের বন্যার সময় থেকে আমি কাজ শুরু করি এখন আমার বয়স ৭৩ ছুঁই ছুঁই করছে। সেসময় আমাদের কাজের স্লোগান ছিল Let the Dead, Serve the Living । কবি গুরুর ভাষায় ছিল “যাহা চাই যেন জয় করে পাই, গ্রহন না করি দান, হে সর্ব শক্তিমান”, আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা উপলব্ধি করতে চেয়েছি যে দেশে কোন ভিখারীর হাত থাকবে না আমরা দেশকে গড়ব। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা ভৌগোলিক স্বাধীনতা পেয়েছি কিন্তু এখনও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পাইনি। সেটা আমাদের জন্য বড় দুর্ভাগ্য কিন্তু আমরা আশা ছাড়ি নি। আমরা মনে করি আমরা এগিয়ে যাব এবং এগিয়ে যাচ্ছি।

বারান্দায় চলার এক পর্যায়ে আবাসিক ছাত্র রিয়াজুল ইসলাম দোয়া চান যাতে তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। ভোলার আবিদ যাতে নিজ দেশ ও জেলাকে এখানে ভালোভাবে রিপ্রেজেন্ট করতে পারে সেজন্য দোয়া চান।

স্মৃতিকক্ষের পাশের দেয়ালে ঝুলানো বঙ্গবন্ধু কাঁধে বুকে আদুরে জড়ানো তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার ছবি দেখে খুব তৃপ্তিবোধ করছি আর ভাবছি সব বাবাই তাঁর মেয়েকে ভালোবাসেন কিন্তু তার প্রকাশ করতে পারেন না। কারন এখনও অনেক মানুষ গরীব, দূর্দশাগ্রস্থ, অর্থনৈতিকভাবে কষ্টে আছে, শোষিত। তাই আমরা যাতে এই দূর্দশা থেকে মুক্তি পাই সে জন্যে আমাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী) কাজ করছেন। শোষনহীন সমাজ ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য কাজ করছেন। আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

এই বেকার হোস্টেলটি প্রথম থেকেই সরকারী ব্যবস্থাপণায় চলছে এবং এখানে সবাই মুসলিম ছাত্র। ভোলা থেকে আগত ছাত্র আবিদ আমাকে তার রুম দেখার জন্য অনুরোধ করে। আমরা আবিদের রুম দেখতে যাই। তার টেবিলে বই পুস্তক দেখা যাচ্ছে। সে যে পড়ালেখা করে তার নমুনা দেখা যাচ্ছে। সেখানেও গিয়ে দেখি পুরাতন আমলের কাঠের চেয়ার যা কিনা ইতিহাস সংরক্ষনের জন্য যত্ন করে রাখা হয়েছে। কাঠের চেয়ার তো এখন আর বাংলাদেশে দেখাই যায় না। সব প্লাস্টিক দিয়ে ছেয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যবসায়িক লাভের জন্য প্লাস্টিক ব্যবহারে মানুষকে বিজ্ঞাপন দিয়ে উৎসাহিত করে। কিন’ কাঠ বা গাছ যে আমাদের কত বড় সম্পদ তা তারা আমলে আনছেনা

পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে স্মৃতি রক্ষার জন্য এ পুরাতন আসবাবগুলো যত্ন সহকারে সংরক্ষন করছে সেজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। এছাড়াও মমতা’দির (পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী) প্রতি আমাদের এমনিতেও দুর্বলতা আছে। কারণ তিনি আমাদেরকে কাছ থেকে দেখেন, খেয়াল করেন, বলেন। বাংলাদেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা আছে। তিনি শাড়ী পড়েন, তারচেয়েও বড় কথা সুতি শাড়ী পড়েন। সবাই এরকম সাধারণ হয়ে চলতে পারেন না। এই ‘সাধারণ’ আমরা সবাই হতে পারি না যা খুবই দুঃখজনক। আমরা একটু ‘অসাধারণ’ হয়ে-থেকে সাধারণদের ‘জন্য’ চিন্তা করি। কাজ করি। তাদের কথা বলি। ‘সঙ্গে’ থাকিনা এটা কিন্তু একটি বিশাল কালচারাল ফারাক। আমাদের একীভূত হতে হবে এবং আমাদের মন চিন্তা ধারণায় একাত্মতায় আসলে আমরা সকলেই এগিয়ে যেতে পারবো। বেকার হোস্টেল ও ইলিয়ট হোস্টেলের মাঝখানে একটি মসজিদ আছে। চারদিকে চারটি গম্বুজ বিশিষ্ট একতলা একটি মসজিদ। পবিত্রতার বিশাল একটি মন নিয়ে এখানে থাকা যায়। যেমন প্রাকৃতিকভাবে, দুনিয়াবীভাবে এবং আখিরাতের চিন্তাও এখানে থেকে করা যায়।

এটা বিশাল একটা যোগ। এখানে বিয়োগের কিছুই নাই। এই যোগের ফলেই হয়তো বঙ্গবন্ধু এই হোস্টেলে ছিলেন। তখন তো তিনি বঙ্গবন্ধু হন নাই, শেখ মুজিবুর রহমান। সেখান থেকেই এই মসজিদ এই পরিবেশ এই সবুজ গাছগাছালি এই আকাশ এই বাতাস এই পবিত্রতা সব কিছু মিলেই বোধহয় মানুষের প্রেম নিয়েই উনি জাতির পিতা হতে পেরেছেন। এটারও একটা বিশাল সাক্ষী দেয় এই বেকার হোস্টেল। এখানে বেকার হোস্টেলের পাশে একটি নতুন বিল্ডিং উঠেছে। আমাদের গর্ব যে বাংলাদেশ সরকারের টাকায় বঙ্গবন্ধু বেকার হোস্টেলের যে রুমটায় থাকতেন তার পাশের জায়গায় একটা বাংলাদেশ হোস্টেল হয়েছে এবং একটি মাঠও আছে। এ মুহুর্তে চার-পাঁচ জন ছেলে ক্রিকেট খেলছে। সেই আমলে হয়তো ক্রিকেট ছিল না ফুটবল খেলত। ফুটবল খেলারও নেটের স্থাপনা আছে। মাঠে কিছু পুরোনো বাঁশ আছে হয়তো মিটিং করে। এটাও ভালো লাগলো যে আমাদের বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মেলবন্ধন এখানেও ফুটে ওঠে। আমরা এক ও একাত্মতায় আছি। চলতে হবে ভিন্নতা নিয়ে কিন’ কাজ করছি একাত্মতা নিয়ে। যার যার নিজের জায়গা থেকে সে সে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। বেকার হোস্টেলের গেট দিয়ে বের হতে উপরের দিকে ইংরেজিতে লেখা স্থাপিত ১৯১০ইং। বেকার গভর্নমেন্ট মুসলিম হোস্টেল, ৮ স্মিথ লেন, কোলকাতা ৭০০০১৩। সাত আর তের অংকে লেখা দেখে ভালো লাগল এ কারণে যে, জনশ্রুতিতে লাকি সেভেন হলেও আমার বেলায় আনলাকী থার্টিন প্রায় সময়ই দেখেছি লাকী । আজকের সেভেন ও থার্টিন উভয়টি এই বঙ্গবন্ধুর বেকার হোষ্টেল থাকাস’ল দেখে আজ আমি ডাবল লাকী মনে করছি।

 

 

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা, ডর্‌প এবং গুসি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বিজয়ী -২০১৩।

ছবিসহ ভিডিও থেকে অনুলিখিত ফারজানা জেরিন নিশা

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here