
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বসতঘরের আঁড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে মনি। পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন বসতঘরের আঁড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের পরিবার আত্মহত্যার কোন কারণ জানাতে পারেনি। পুলিশ আত্মহত্যার কারণ জানতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গাজী ফৌজুল আজিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটি আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।



