
সামিন আরহাম, স্পোর্টস ডেস্ক ::
তাওহিদ হৃদয়ের বিধ্বংসী ৯৭ রানের ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত বিফলে গেল। রংপুরের দেওয়া বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মুহাম্মদ ওয়াসিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এই জয়ে রংপুর রাইডার্সকে টপকে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে শান্তর দল।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হৃদয়ের অপরাজিত ৯৭ রানের ওপর ভর করে ৪ উইকেটে ১৭৮ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। জবাবে ১৯.১ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজশাহী।
১৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। দলীয় ১৩ রানেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তবে এরপরের গল্পটা শুধুই শান্ত ও ওয়াসিমের। দ্বিতীয় উইকেটে এই দুজন মিলে রংপুর বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান। মুহাম্মদ ওয়াসিম ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেওয়ার পর অধিনায়ক শান্তও ফিফটি করেন ২৮ বলে। আউট হওয়ার আগে শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৪২ বলে ৭৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস। এই ইনিংসের সুবাদে চলতি আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের (২৭৯ রান) তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। শান্তর বিদায়ের পর জিমি নিশাম (১) দ্রুত ফিরলেও দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন ওয়াসিম। তিনি অপরাজিত থাকেন ৮৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের শুরুটা নড়বড়ে হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন তাওহিদ হৃদয়। কাইল মেয়ার্স (৮), লিটন দাস (১১) ও ইফতেখার আহমেদ (৮) দ্রুত বিদায় নিলেও খুশদিল শাহকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে এই দুজন গড়েন ১০৫ রানের বিশাল জুটি। খুশদিল ২৯ বলে ৪৪ রান করে ফিরলেও হৃদয় ছিলেন অবিচল। তবে শেষটা সুখকর হয়নি হৃদয়ের জন্য। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে ৫৬ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মাত্র ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
এই জয়ে ৭ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে উঠে এল রাজশাহী। অন্যদিকে সমান ম্যাচে হেরে তিন নম্বরে নেমে গেল নুরুল হাসান সোহানের রংপুর রাইডার্স।