হাঁটতে শিখুন, নিজেকে করুন স্মার্ট

নিউজ ডেস্ক :: সেই ছোটবেলা থেকে বাবার আঙুল ধরে হাঁটা শুরু। তখন সোজা হয়ে হাঁটা খুব মুশকিলের ছিল। হাঁটতে হাঁটতে কতবার যে হোঁচট খেয়েছেন তা অগুন্তি।

এখন আর সেই বয়স নেই যে হোঁচট খেলে কেউ এসে ধরবে। এখন হয়তো আপনি যুবক বা পুরুষ বা বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা। তাই ভাবছেন কেন হাঁটতে শেখার কথা বলছি।

কারণ, নিত্যদিন আমরা যেভাবে হাঁটি তার অনেকটাই অভ্যাসগত ভুল। আজ বলব হাঁটার সঠিক কায়দা। পাশাপাশি বলব হাঁটার ভুল দিকগুলি কী।
রোজ আমরা যেভাবে হাটি:

কুঁজো হয়ে হাঁটা :  হাঁটার সময়ে একটি সাধারণ ভুল যেটি আমরা করে থাকি তা হল কুঁজো হয়ে হাঁটা। এই ভঙ্গিতে হাঁটা একেবারেই উচৎ না। এতে করে স্বাস্থ্যের আরও অনেক বেশি ক্ষতি হয়ে থাকে।

মাথা বা গলা এগিয়ে দিয়ে হাঁটা :  হাঁটার সময়ে অনেকে মাথা বা গলাকে সামনের দিকে এগিয়ে দেন। অর্থাৎ পারস্পেক্টিভ ভিউ থেকে যদি দেখি তাহলে দেখা যাবে যে এক্ষেত্রে একজনের মাথা বা গলার অংশটি দেহের অন্যান্য অংশের তুলনায় বেশ এগিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে হাঁটার সময়ে শরীরের সমস্ত প্রেসারটা পড়ে এই মাথা বা গলার উপরে যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর।

পায়ের অবস্থান :  যারা ব্যায়ামের জন্য হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলেন তাদের সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখা উচিৎ পায়ের অবস্থানের দিকে। কেননা এর অবস্থানের ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতেও পারে। তাই হাঁটার সময়ে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন পায়ের অবস্থানটি ত্রিভূজাকার না হয়ে যায়। এতে দু’ধরনের ত্রিভূজাকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যেমন উর্ধ্বমুখী ত্রিভুজাকার ও নিম্নমুখী ত্রিভুজাকার। সবসময় খেয়াল রাখা উচিৎ এই ধরনের দেহাবস্থানের ভুলটি যেন একান্তই না হয়।

কাঁধ উচু করে হাঁটা :  হাঁটার সময়ে অনেকে মাঝে মধ্যে কাঁধ উঁচু করে হাটেন। এটি শারীরিক ব্যায়ামের ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। কাঁধ উঁচু করে হাঁটলে গলায় ব্যথা অনুভব হতে পারে যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।
সুতরাং হাঁটার সময় মাথা ঘাড় পিঠ সোজা রেখে সোজা তাকিয়ে হাঁটবেন। হাতও দু’দিক বরাবর সোজা রাখবেন। সোজা ভাবে হাঁটলে আপনার পাশের জনের অসুবিধে হবেনা আর আপনাকেও স্মার্ট দেখাবে।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here