রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আহাদ নামে রুমিন ফারহানার এক কর্মী বাদী হয়ে সরাইল থানায় মামলাটি করেন। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, মামলার এজাহারনামীয় আসামি পাঁচজন। অজ্ঞাত আসামি ১৪০-১৫০ জন। ইতোমধ্যে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপির উত্তেজিত নেতাকর্মীরা। ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকরা। এতে মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

রুমিন ফারহানা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে নির্বাচন করায় তাকে দল থেকেও বহিস্কার করে বিএনপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here