গ্রাহকদের মধ্যে শিরিন আক্তার ৬ লাখ, আব্দুল মজিদ খান ২৫ লাখ টাকা রেখে প্রায় দুই বছর ধরে ঘুরছেন। কিন্তু টাকা তুলতে পারছেন না। এ রকম অসংখ্য গ্রাহক টাকা না পেয়ে বিক্ষোভ করেছেন।
সেভিংস অ্যাকাউন্টের গ্রাহক ইয়াসমিন বেগম জানান, অনেক কষ্ট করে এখানে কিছু টাকা জমিয়েছেন। কিছুদিন পর মেয়ের বিয়ে। জমানো টাকা তুলতে আসছেন কিন্তু দিচ্ছে না। টাকা তুলতে এলেই বলে আজ না অন্য দিন আসেন।
ব্যাংকের গ্রাহক রুবেল মোল্লা বলেন, ‘আমরা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক টঙ্গী কলেজ গেট শাখায় আমানত রাখি। আমাদের আমানতের টাকা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা করছেন। লাখ লাখ টাকা ব্যাংকে থাকা সত্ত্বেও আমাকে ৫ হাজার, ১০ হাজার টাকা দিয়ে পরবর্তীকালে দেবেন বলে ক্রমাগত আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন।’
গ্রাহক আব্দুল আজিজ জানান, তার ৬৫ লাখ টাকা জমা রাখা হয়েছে। এখন তার টাকার খুব দরকার। কিন্তু টাকা উঠাতে এলেই আজ না অন্য দিন আসেন বলে টালবাহানা করছেন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এমন করে এক বছর ধরে আসা-যাওয়া হচ্ছে, কিন্তু পাচ্ছেন না।
ব্যাংকটির টঙ্গী শাখার ম্যানেজার আলী ইসলাম ফকির বলেন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক টঙ্গী কলেজ গেট শাখার গ্রাহকদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের টাকা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এফডিআর-এর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই টাকা দিতে পারছেন না। নির্দেশনা এলেই গ্রাহকদের টাকা দেওয়া হবে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীন খান বলেন, ব্যাংকের ঘটনা শোনার পর পুলিশ পাঠানো হয়। গ্রাহকরা তাদের জমানো টাকার জন্য ব্যাংকের ভেতরেই জড়ো হয়েছিলেন। পরে তাদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।