
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ::
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসাইনকে হত্যার পেছনে প্রেমের সম্পর্ককে কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক সমিতির নেতা বলেছেন, ত্রিভুজ প্রেমের গল্প সাজিয়ে তদন্ত ভিন্ন দিকে নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষক সমিতি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সমিতির সাধারণ সম্পাদক রইছ উদ্দীন বলেন, জোবায়েদ এমন ছেলে নয়। ত্রিভুজ প্রেমের গল্প সাজিয়ে তাঁর চরিত্র হনন করা হয়েছে। তদন্তকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা চাই, প্রকৃত খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করা হোক। নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়।
অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, মামলার এজাহারে ইন্ধনদাতা বর্ষার (শাবনাম বর্ষা) একটি বক্তব্য আছে। সে জোবায়েদের অবস্থান শনাক্ত করেছে এবং জোবায়েদের রুমমেটকে জানিয়েছে। এটা প্রথম সূত্র হওয়ার কথা, কিন্তু কেন এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি?
সংবাদ সম্মেলনে এই অধ্যাপক আরও বলেন, জোবায়েদকে খুনের সিসিটিভি ফুটেজে কালো ও লাল টি-শার্ট পরা দুজনকে দেখা গেছে। তারা কি সেই দুজন আসামি? সেটি হলে তাদের পোশাক জব্দ করা হয়েছে কি না। একবার ছুরিকাঘাতে জোবায়েদ নিহত হয়েছেন। মাহিরের মতো কম উচ্চতার কেউ কীভাবে জোবায়েদের উচ্চতার ছেলেকে হত্যা করতে পারে? নাকি পেশাদার খুনি ভাড়া করা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর আমরা জানতে চাই।
আগামী ২৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস জোবায়েদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হবে বলেও জানান রইছ উদ্দীন। মামলা তদারকির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে একজন আইনজীবী নিয়োগেরও ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তাজাম্মুল হকসহ মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



