আপনার সমস্যার উৎস নির্ণয় করুন। এটা কি একাকিত্ব নাকি অন্য কোনো সমস্যা, তা জেনে নিন। আপনার একাকিত্বের কারণ যদি হয় পুরনো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতা বা স্মৃতির কারণে তাহলে তা জেনে নিন। সমস্যার ভেতরে প্রবেশ করা এক্ষেত্রে সমাধানের উপায় বের করার মতোই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।
অতীতের সব নেতিবাচক পরিস্থিতি স্মৃতি থেকে ঝেড়ে ফেলতে একটা বড় পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। এজন্য আপনার নেতিবাচক পরিস্থিতি ও দ্বীধাদ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে আসতে নিজের ওপর জোর খাটানোর প্রয়োজন হবে। এজন্য ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যেতে হবে এবং দ্বীধাদ্বন্দ্ব বাদ দিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।
একাকি থাকার সময়টি অনেকেই একঘেয়েমিতে কাটান বলে জানান। অনেকেই এ সময়কে অন্যকে আনন্দ দেওয়ার কাজে ব্যয় করেন। কিন্তু এতে নিজের আনন্দের কথা ভুলে যান তারা। আর এ সমস্যার একটি ভালো সমাধান হতে পারে নতুন শখের সন্ধান। এতে ভালোভাবে সময় কাটানোর পাশাপাশি নিজের সৃজনশীলতাকে ঝালিয়ে নেওয়াও সম্ভব হতে পারে।
একাকি থাকার পরেও সম্পর্ক গভীর করার বিষয়টি অনেকের কাছে বেমানান হতে পারে। কিন্তু
আপনার নিশ্চয়ই একাকি থাকার পরেও পরিচিত গণ্ডিতে নানা মানুষ রয়েছে। অন্যের সঙ্গে শুধু যোগাযোগ রাখাটা কোনো বিষয় নয়। এজন্য প্রয়োজন একে অন্যকে জানা ও বোঝা। আর এতে আপনার সঙ্গে অন্যদের সম্পর্ক গভীর হবে।
একঘেয়েমি যদি আপনাকে গ্রাস করে তাহলে তা ঝেড়ে ফেলার একটি উপায় হতে পারে অবস্থান বদল। বাড়িতে যদি আপনি একঘেয়ে বোধ করেন তাহলে বাড়ি ছেড়ে বেড়িয়ে আসুন। নতুন নানা স্থানে ভ্রমণ করুন। আগে যে কাজটি করেননি তা এখন করুন।
অনেকেরই ছোটবেলার সুখস্মৃতি নিয়ে চিন্তা করলে মন ভালো হয়ে যায়। একঘেয়ে বোধ করলে সেসব দিনের কথা স্মরণ করুন। আপনার ছোটবেলার সুখের দিনের কথা স্মরণ মানসিকতা ভালো করতে সহায়তা করবে।
সব সমস্যা একাই সমাধান করা যায় না। আপনার সমস্যার মাত্রা যদি এমন পর্যায়ে যায় যে, তা নিজে সমাধান করতে পারছেন না, তাহলে বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন। তারা বহু বড় সমস্যা সমাধান করার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ফলে তাদের সহায়তা আপনার সমস্যা সমাধানে কার্যকর হবে।




