ডেস্ক রিপোর্ট :: বিদেশি ঋণের বোঝা কমাতেই পাকিস্তান সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গত বুধবার উত্তর ওয়াজিরিস্তান সফরকালে একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানান তিনি। সাক্ষাৎকারটি প্রচারিত হয়েছে শুক্রবার রাতে।

সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেছেন, তেলের দাম ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে তার দেশ আর ঋণের বোঝা কাঁধে নিতে পারবে না।

পাকিস্তানি রুপির চরম অবমূল্যায়নের প্রভাবে পেট্রোলিয়াম, ডাল, ঘিসহ বিভিন্ন আমদানি পণ্যের দাম বাড়াতে হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে ডলারের মূল্য ১০৭ রুপি থেকে বেড়ে ১৬০-এ পৌঁছেছে, যার কারণেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগের সরকারের আমলে জ্বালানি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে হওয়া গলাকাটা চুক্তির কথা উল্লেখ করে ইমরান খান বলেন, বর্তমান সরকার ওই ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে না, যার কারণে দেশের ঋণের বোঝা আরও বেড়ে যায়।

এসময় ক্ষমতাসীন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফে (পিটিআই) বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উন্মুক্ত শুনানির আহ্বান জানান দলটির প্রধান।

ইমরান খান বলেন, পিটিআইয়ের পুরো তহবিলই বৈধ, দাতাদের সম্পূর্ণ রেকর্ড রয়েছে, যা বিরোধী দলগুলোর বিপরীত। তারা (বিরোধী দল) তাদের অর্থদাতাদের নামও বলতে পারেনি।

পিটিআই প্রধান বলেন, আমি যদি ভয় পেতাম তাহলে কি উন্মুক্ত শুনানির ডাক দিতাম? ক্ষমতাসীন সরকার যেহেতু বিরোধী দলগুলোর পরামর্শ নিয়েই নতুন নির্বাচন কমিশন প্রধান নিয়োগ দিয়েছে, এখন জনগণের জানা উচিত- পিটিআইয়ের অর্থ ইসরায়েল বা ভারত দিয়েছে কি না।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here