খাদেমুল ইসলাম ফরহাদ, ইবি প্রতিনিধি :: এদিকে সাংবাদিকরা এই ঘটনার তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করলে রিফাত ইসলাম, ইফতিয়ার উদ্দীন, মোহাম্মদ সাব্বির, প্রিন্স ও জনিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদেরকেও লাঞ্চিত করেন। এসময় মব সৃষ্টিকারীদের মধ্যে আরো ছিলেন মুহাম্মদ আমির, কাইসার শামস, শাকির আহমেদ রাজ ও আব্দুল কাইয়ুম, রেদোয়ানুল ইসলাম রোহান, তুষার ও আলি হাসান। এরা সকলেই শাখা ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী।
এদিকে, গতকাল রাতেই এ ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাছাড়া এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে মানববন্ধন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখা। মানববন্ধনে তারা প্রক্টর, কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতিকে অপহরণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আমি বিষয়টি প্রক্টরকে দেখতে বলেছি।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা তাকে (অপহৃত শিক্ষক) বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নিরাপদ পরিবেশে রেখেছি। এছাড়া শিক্ষক, নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সাথে ঐ শিক্ষার্থীদের ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডি বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।
এর আগে গতকাল বুধবার ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। নিয়োগ বোর্ডে যোগদানের জন্য বেলা ৯ টার দিকে বিভাগের শরিফুল ইসলাম জুয়েল ঝিনাইদহের বাসা থেকে বের হলে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ মোটরসাইকেলযোগে তাকে বাসার সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের বিষয়ে সাহেদ আহম্মেদকে সাংবাদিরা জিজ্ঞেস করলে তিনি প্রথমে অস্বীকার করেন। এ ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে আনুমানিক বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষক জুয়েলকে বাসায় পৌঁছে দেয় সাহেদ। পরে তার বাসায় সাহেদ আহম্মেদের ফেসবুক থেকে জুয়েলকে নিয়ে লাইভে আসেন।



