ডেস্ক রিপোর্ট:: লাটভিয়াকে নিয়ে ছেলেখেলা করল জার্মানরা। প্রীতি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে কোন দয়া মায়াই দেখাল না জোয়াকিম লো বাহিনী। ম্যাচ জিতল ৭-১ গোলে। ম্যানুয়েল নয়্যারের শততম ম্যাচটা জয় দিয়ে রাঙাল ডাইম্যানশেফটরা।

ডুজেলড্রফে ম্যাচের আগে সাজ সাজ রব। দু’দলের খেলোয়াড়রা উঠে আসলেও, নেই একজন। অবশেষে সবার সঙ্গে হাত মেলাতে মেলাতে মাঠে ঢুকলেন তিনি। গ্যালারিতে উপস্থিত তিন দর্শকের গায়ের টি-শার্ট দেখে বুঝা গেল কেন এত আয়োজন। এটা যে ম্যানুয়েল নয়্যারের শততম ম্যাচ জার্মান জার্সিতে।

ম্যাচের আগে দুই কোচ হাত মিলিয়ে সৌহার্দ জানালেন একে অপরের প্রতি। কিন্তু, কে ভেবেছিলো এরপর আর ম্যাচজুড়ে হাসতে ভুলে যাবেন কাজাকেভিক্স। লো অবশ্য নির্বাক ছিলেন সবসময়ের মতোই।

ম্যাচ শুরু হতে দেখা গেলো প্রতিপক্ষকে একেবারেই অসম্মান করেনি জার্মানরা। ফর্মেশন প্রথাগত ৩-৪-৩ এই ভরসা জোয়াকিমের। মাঝ মাঠের দখল নিয়ে কিছুটা সময় লাগলো ধাতস্থ হতে। এরপর ছুটলো গোলমেশিন।

১৯ মিনিটে বাম প্রান্তের সীমানা লাইন থেকে হাভার্টজের বাড়ানো পাসে গোলমুখের দরজা খোলেন গোজেন্স। গোল খেয়ে কিছু বুঝে উঠার আগেই আরও একবার ব্যবধান বাড়ায় জার্মানি। ২১ মিনিটে স্কোরশিটে নাম লেখান গুন্দোয়ান।

একের পর এক আক্রমণে তটস্থ তখন লাটভিয়া শিবির। নিজেদের গুছিয়ে উঠার আপ্রাণ চেষ্টা চালায় তারা। কিন্তু মুলারের শটে আবারো ছত্রখান ওজোলস। ৩-০’তে এগিয়ে জার্মানি।

বিরতির আগে আরও দু গোল পায় ডাইম্যানশেফটরা। ৩৯ মিনিটে কাইল হাভার্টজের শটটা জালে জড়ানোর ঠিক আগে ক্লিয়ার করতে গিয়েছিলেন এক ডিফেন্ডার। কিন্তু ওজোলসের গায়ে লেগে হয় ৪-০। আর বাঁশি বাজার ঠিক আগ দিয়ে স্কোর করেন গ্যানাব্রি।

দ্বিতীয়ার্ধ্বের শুরুতে আবারো জার্মান অ্যাটাক লাটভিয়ার ওপর। জসুয়া কিমিচের পাস থেকে স্কোর শিটে নাম লেখান টিমো ওয়ের্নার। ৬-০ তে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

এরপর প্রায় ২৫ মিনিটের বিরতি। চেষ্টা করেও আর গোল পাচ্ছিল না হামেলস-মুলাররা। রক্ষণটাকেও ঠিকঠাক সামলে নিচ্ছিলো অতিথিরা। উঠছিলো প্রতি আক্রমণেও, যার একটা থেকে ৭৫ মিনিটে স্কোর করে বসেন সেভেলিভস। শততম ম্যাচে ক্লিন শিট না রাখতে পারার হতাশা তখন নয়্যারের দেহ ভঙ্গিমায়।

সতীর্থের মনঃকষ্ট অবশ্য বাড়তে দেননি লিরয় সানে। পরের মিনিটেই দলের হয়ে ৭ম গোলটি করেন তিনি। আর‌ও একবার সেভেনআপের আনন্দে ভাসে জার্মান শিবির।

এরপর আর কোন গোল হয়নি স্পেইল অ্যারেনায়। ৭-১ এর বিশাল জয়ে ইউরোর প্রস্তুতি সেরে নেয় জার্মানরা।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here