স্টাফ রিপের্টার :: দেশে ৬৫ শতাংশ মেয়ের ১৮ বছর হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। এতে অনিরাপদ গর্ভধারণ ও এমআর (মিন্সট্রুয়াল রেগুলেশন) বাড়ছে, যা মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। পরিবার পরিকল্পনা, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার এবং নারীর প্রতি সহিংসতাকেন্দ্রিক সরকারি-বেসরকারি প্রোগ্রামগুলোয় তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব তৈরির মাধ্যমে বাল্যবিবাহ নিরোধসহ সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

শনিবার সিরাক বাংলাদেশ আয়োজিত দু’দিনব্যাপী পঞ্চম পরিবার পরিকল্পনাবিষয়ক জাতীয় যুব সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

তরুণ ও পরিবার পরিকল্পনা নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সম্প্রীতি তৈরি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ৫০০ তরুণ আইনজীবীকে সংযুক্ত করে প্রতিশ্রুতিমূলক জায়গা তৈরির উদ্দেশ্যে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সম্মেলন হয়।

সমাপনী দিনে মেরী স্টোপস বাংলাদেশ কভিড-১৯ মহামারি ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে সেশনে অংশগ্রহণ করে। সেশনটি পরিচালনা করেন মেরী স্টোপস বাংলাদেশের অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার এবং এএফপি অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমের ফোকাল পারসন মনজুন নাহার।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি মহিউল হক, মেরী স্টোপস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাসরুরুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব ডা. আব্দুস সালাম খান, এমসিএইচ-এফপি লাইন ডিরেক্টর ডা. মোহাম্মদ শরীফ, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজের গাইনিপ্রধান ডা. শেহরিন, অ্যাডভোকেট তাসনিয়া দিয়া প্রমুখ।

মাসরুরুল ইসলাম বলেন, করোনায় স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় অনেক অভিভাবকই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে, নববিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার মাত্র ৪৭ শতাংশ। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঘটনা ঘটবে।

আব্দুস সালাম খান বলেন, করোনা মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবার পরিকল্পনা সেবাকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

ডা. মোহাম্মদ শরীফ বলেন, সারাদেশে ৬০৩টি কৈশোরবান্ধব সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here