২২ শতাংশ পোশাক শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার: মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন

তৈরি পোশাক শিল্পের আনুমানিক ২২ দশমিক ৪ শতাংশ নারী শ্রমিক কারাখানায় যৌন হয়রানির শিকার হন বলে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) এক গবেষণায় উঠে এসেছে।  মঙ্গলবার এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম জানান, গত বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামের ২২টি কারখানায় এ গবেষণা পরিচালনা করা হয়।  এ বিষয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শিরীন আখতার বলেন, মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও যৌন হয়রানির শিকার।  তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।  কর্মজীবী নারী সংগঠনের সভাপতি ডা. প্রতীমা পল মজুমদার বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন সহিংসতা রোধে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  ‘শ্রমিক ও কারখানা মালিকদের মাঝে ভালো সম্পর্ক থাকলে যৌন সহিংসতার হার কমে যাবে,’ বলেন তিনি।  গবেষণাটিতে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির জন্য বিচারহীনতার সংস্কৃতি, কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীন আচরণকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।  গবেষণায় অংশ নেয়া বেশিরভাগ নারী ও পুরুষ জানান, নারীরা দুর্বল ও প্রতিবাদ না করার কারণে যৌন হয়রানির শিকার হন।  তবে ২১ শতাংশ পুরুষ ও ৭ শতাংশ নারী মনে করেন, নারীরা তাদের পোশাকের জন্য যৌন হয়রানিতে পড়েন।  সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির সেকেন্ড সেক্রেটারি ইলভা সালসট্রেনড বলেন, নারী শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে সচেতন থাকা দরকার। শিক্ষা এ সচেতনতা তৈরি করতে পারে।  ‘যৌন নির্যাতনবিরোধী কমিটিগুলোকে অবশ্যই নারী শ্রমিকদের সহায়তা করতে হবে। কারখানা মালিক, ব্যবস্থাপনা ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসা উচিত। পাশাপাশি এখানে সামাজিক সংলাপও দরকার,’ যোগ করেন সালসট্রেনড।

স্টাফ রিপোর্টার :: তৈরি পোশাক শিল্পের আনুমানিক ২২ দশমিক ৪ শতাংশ নারী শ্রমিক কারাখানায় যৌন হয়রানির শিকার হন বলে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম জানান, গত বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামের ২২টি কারখানায় এ গবেষণা পরিচালনা করা হয়।

এ বিষয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শিরীন আখতার বলেন, মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও যৌন হয়রানির শিকার।তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

কর্মজীবী নারী সংগঠনের সভাপতি ডা. প্রতীমা পল মজুমদার বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন সহিংসতা রোধে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ‘শ্রমিক ও কারখানা মালিকদের মাঝে ভালো সম্পর্ক থাকলে যৌন সহিংসতার হার কমে যাবে,’ বলেন তিনি।

গবেষণাটিতে কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির জন্য বিচারহীনতার সংস্কৃতি, কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা ও উদাসীন আচরণকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গবেষণায় অংশ নেয়া বেশিরভাগ নারী ও পুরুষ জানান, নারীরা দুর্বল ও প্রতিবাদ না করার কারণে যৌন হয়রানির শিকার হন।

তবে ২১ শতাংশ পুরুষ ও ৭ শতাংশ নারী মনে করেন, নারীরা তাদের পোশাকের জন্য যৌন হয়রানিতে পড়েন।

সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির সেকেন্ড সেক্রেটারি ইলভা সালসট্রেনড বলেন, নারী শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে সচেতন থাকা দরকার। শিক্ষা এ সচেতনতা তৈরি করতে পারে। ‘যৌন নির্যাতনবিরোধী কমিটিগুলোকে অবশ্যই নারী শ্রমিকদের সহায়তা করতে হবে। কারখানা মালিক, ব্যবস্থাপনা ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে এ বিষয়ে এগিয়ে আসা উচিত। পাশাপাশি এখানে সামাজিক সংলাপও দরকার,’ যোগ করেন সালসট্রেনড।

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ উদ্বোধন

শাহাবুদ্দিন পাননা, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি :: আমতলীতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠী বেদে, ...

0Shares