কয়েক দিন ধরে দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে। চার দিন ধরে দৈনিক ১১ হাজারের বেশি ব্যক্তির সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তও চার দিন ধরে ৩০ শতাংশের বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্তের তিন মাস পর ১৮ জুন তা এক লাখ ছাড়িয়ে যায়। এরপর এক মাসের ব্যবধানে ১৮ জুলাই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ায় দুই লাখে। এর পরের এক লাখ রোগী শনাক্ত হয় ১ মাস ৯ দিনে, ২৬ আগস্ট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়ায় তিন লাখ।

গত বছরের ২৬ অক্টোবর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে যায়। সংক্রমিতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়ায় গত ২০ ডিসেম্বর। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ৫৫ দিন। এরপর ৯৯ দিনে আরও এক লাখ রোগী শনাক্ত হওয়ায় ২৯ মার্চ দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছয় লাখ ছাড়ায়।

শনাক্তের সংখ্যা ছয় থেকে সাত লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র ১৬ দিন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৪ এপ্রিল সাত লাখ পেরিয়ে যায়। আর রোগীর সংখ্যা সাত থেকে আট লাখে পৌঁছায় গত ৩১ মে, এই লাখ রোগী শনাক্তে সময় লেগেছে ৪৭ দিন। আর রোগী ৮ থেকে ৯ লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে ২৯ দিন। এখন করোনার ডেলটা ধরনের দাপটের মধ্যে মাত্র ১০ দিনেই এক লাখ রোগী শনাক্ত হলো।

এবার করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয় গত ঈদুল ফিতরের পরপরই। ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে রোগী দ্রুত বাড়তে থাকে। পরে তা আশপাশের জেলায়ও ছড়িয়ে পড়ে। এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা, মৃত্যু ও শনাক্তের হার কয়েক গুণ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে নতুন শনাক্ত রোগী ও মৃত্যুর বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশ শীর্ষ ১২টি দেশের মধ্যে রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here