কুহক যখন তোমাকে গ্রাস করছে তোমার অজান্তেই
সানি সরকার
 
 
ভোরের গোধূলিকে বলো, ভালো আছ?
ভোরের গোধূলি জানে, প্রতিটি মুহূর্ত…
কেন যে ভুলে যাও
শুধু ভালো থাকার জন্যে ভালো থাকা না!
 
এই যে দশ দিক তার চারপাশে
তুমি যে সেখান থেকে অসংখ্যবার গন্ধ নিচ্ছ
এবং মনে করছ, বুকের ভেতরের পাখিটি বুঝি মুক্ত হয়ে গেল…
কিন্তু না!
 
যে বৃক্ষের নিচে শ্বাস নিচ্ছ ইদানীং
যে যে বৃক্ষ তোমাকে পথের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ দিল
তাঁরা হাসলেন খুব, না প্রাণ না,
মনে মনে হাততালি দিতে দিতেই
ক’য়েক পাক চক্কর কেটে নিলেন দ্রুত-ই
কারণ নির্মাণ সফল হয়েছে
 
আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ, কারণ
ওঁরা একেকজন সফল চলচ্চিত্র নির্মাতা…
একজন মানুষকে প্রতিটি ক্রিয়েটর
কখনও রাক্ষস কিংবা ঝোলার বেড়াল বানাতে পারেন
এখানে মনে রাখা উচিৎ, ওঁর কাজই হল নির্মাণ করা
তা মিথ্যে হোক বা সত্যি
 
এখানে বলে রাখা ভালো, যদি সিনেমার ভাষায় দ্যাখো, তবে
এই জগৎ-সংসারে পর্দার আড়ালের মানুষটিকে কেউ চেনেন না
ওঁরা ইচ্ছে মতো প্রতিটি চরিত্রের একেকটি নাম
ও ট্যাটু এঁকে দেন
 
এইখানে তুমি যদি সাধক-শিল্পীটি হও
যে কোনও গন্ধ শোঁকার পরে একশ আটবার না
সত্যি ও মিথ্যের জ্যামিতিটি সমাধান করতে
ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে সচেতনভাবে তুমি মাত্র ষাট পাক ঘুরবে
 
এখন তোমার সামনে শান্ত-স্থির কেদারা ও বিজ্ঞাপনের হাতছানি
এবার তোমার নাভিকুণ্ডলীর কাছে জিজ্ঞেস করো,
আসলে তুমি কেমন আছ এবং ভবিষ্যতে কেমন থাকতে চাইছ
কারণ ভোরের গোধূলির কাছে কখনও মিথ্যে বলতে নেই
একজন সত্যিকারের মানুষ, নিজেকে কখনও
মিথ্যে করেও মিথ্যে বলতে পারেন না
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here