স্টাফ রিপোর্টার :: দীর্ঘ এক বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে ছয়টি মন্ত্রণালয় বৈঠকে বসে।

বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন অংশ নেন।

এ ছাড়াও বৈঠকে অংশ নেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিবেশ পর্যালোচনা করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের সেদিন জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কবে খুলে দেওয়া যায়- তা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

একইদিন দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেওয়া হবে। আর হল খুলে দেওয়া হবে ১৭ মে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়। করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েক ধাপ বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছিল। সেই ছুটি আরও এক মাস বাড়িয়ে আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠাস খুলে দেওয়া হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here