লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সালাহ্উদ্দিন টিপু

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সালাহ্উদ্দিন টিপু

জহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :: গত পাঁচ বছরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে উপজেলাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করায় এবারো সদর উপজেলার নির্বাচনে জনপ্রিয়তায় মাঠে এগিয়ে রয়েছেন এ কে এম সালাহ্উদ্দিন টিপু। এরই মধ্যে পাড়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সোস্যাল মিডিয়ায়সহ সর্বত্র এ কে এম সালাহ্উদ্দিন টিপুকে নিয়ে ব্যাপক ইতিবাচক লেখালেখিসহ আলোচনার ঝড় উঠেছে। সর্বজন স্বীকৃত টিপুকে একবাক্যে সবাই আবারো সদর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। তার রয়েছে ভদ্রতা, স্বজ্জন, কর্মীবান্ধব ও জনপ্রিয়তার তকমা। এতে সমর্থকরা সদর উপজেলা নির্বাচনে তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি করছেন।

নিঃস্বার্থ, পরোপকারী এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চর্চার এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু। উপজেলার সর্বত্র মানসম্মত শিক্ষার বাস্তবায়ন, স্যানিটেশন, গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক অস্থিরতা দূরীকরণ, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ করাসহ দায়িত্ব পালনে জনসাধারণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেন তিনি। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অর্জন করেছেন শ্রেষ্ঠত্ব।

তাই তো আসন্ন সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন সালাহ্উদ্দিন টিপু। দল-মত নির্বিশেষ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তার অনুসারিরা তার পক্ষে ইতিমধ্যে রাস্তা-ঘাটে পোষ্টার, পেষ্টুন ও ব্যানার দিয়ে প্রচার-প্রচারনার ঝড় তুলেছেন। সদর উপজেলাবাসীর দাবি আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন যাতে সালাহ্উদ্দিন টিপুকেই দেয়া হয়। সালাহ্উদ্দিন টিপুকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে নৌকা প্রতীকে সর্বোচ্ছো ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবে তিনি, এমনটাই আশা করছেন নেতা-কর্মীরা।

দলীয় সূত্রে জানাযায়, আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান সালাহ্উদ্দিন টিপু ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি ও জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। পরে প্রথমে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক, আহবায়ক ও সর্বশেষ সভাপতির দায়িত্ব পান সালাহ্উদ্দিন টিপু। সালাহ্উদ্দিন টিপু যুবলীগের দায়িত্ব পাওয়ার পরে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে দল গোছাতে কাজ করেন।

তাতে তিনি সফল হয়েছেন অনেকটা। তার নেতৃত্বে দলের নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেন। দলের নেতা-কর্মীরা টিপুর নেতৃত্বে দল ও সরকারের সকল কর্মসূচিতে স্বতঃপূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন। এছাড়া ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের আগে ও পরে যখন বিরোধী দল লক্ষ্মীপুুুরে আন্দোলনের নামে গাছকেটে-রাস্তাকেটে মানুষের মনে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করে, তখন প্রায় প্রতিদিন যুবলীগ নেতা এ কে এম সালাহ্উদ্দিন টিপুর নেতৃত্বে সরকারের পক্ষে সংগ্রাম করেছে নেতা-কর্মীরা।

সরকার বিরোধী সকল অপকর্ম প্রতিহত করতে রাজপথে মিছিল, মিটিং করেছিলেন টিপু। আন্দোলন-সংগ্রাম ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে টিপুর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা আগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের জয় লাভ করাতে টিপুর নেতৃত্বে আগ্রণী ভূমিকা পালন করে নেতাকর্মীরা। বিগত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদে বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সালাহ্উদ্দিন টিপু। চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডের সুফল সদর উপজেলাবাসীর দৌড় গৌড়ায় পৌঁছে দেন তিনি।

সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রচারণায় মাঠ দাঁপিয়ে বেড়ান তিনি। আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেতা-কর্মীদের নিয়ে দিন-রাত কাজ করে জেলার ৪টি আসনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হন।

জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্যা আল নোমান, সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন টিটু, পৌর যুবলীগের আহবায়ক আল আমিন ভূঁইয়া বলেন, সালাহ্ উদ্দিন টিপু যুবলীগ নেতা-কর্মীদের নয়নের মনি, সুশিক্ষিত, আধুনিক, মেধাবী, এক কথায় তিনি জেলার যুবরাজ। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালে সদর উপজেলার রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। যোগ্যতম এই নেতাকে আমরা আবারও সদর উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। টিপুভাইয়ের মতো একজন যোগ্য লোক সদর উপজেলার চেয়ারম্যান হবেন এটা আমাদের সদর উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা।

এ কে এম সালাহ্উদ্দিন টিপু বলেন, নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে আমি পাশে ছিলাম, এখনো আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো। আমার সততা দিয়ে দলমত নির্বিশেষে জনসমর্থন তৈরী করেছি। নিজে যেমন চাঁদাবাজি করিনি, তেমনি কোন চাঁদাবাজও সৃষ্টি করিনি। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাবাসীর আশা আকাংখা পুরনে কাজ করেছি, যদি আমাকে আবারো সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে উন্নয়ন কর্মকান্ডে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ছালেহা বেগম’র কবিতা “জীবনের কবিতা”

“জীবনের কবিতা” -ছালেহা বেগম   তুমি আমায় বললে, তুমি কবিতা লিখতে জান? ...