স্টাফ রিপোর্টার :: দেশে প্রতিবছর দেড় লাখ মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। তাদের মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ এ রোগে মৃত্যুবরণ করে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণে পৌঁছাবে।

শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সচেতনতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তারা বলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমাতে এখনই প্রয়োজন সবার মধ্যে ‘তথ্য ও বার্তা’ পৌঁছে দেওয়া। চিকিৎসকের কাছে তথ্য থাকে এটাকে বার্তায় রূপান্তর করে সবার মধ্যে পৌঁছে দিতে পারলে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমবে। অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে মত দেন বিশেষজ্ঞরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণা মতে, দেশে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। লক্ষাধিক মানুষ মৃত্যুবরণ করে। সুতরাং এ বিষয়ে সচেতনতার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে ভারতের মুম্বাই টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের ক্যান্সার প্রতিরোধ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. গোরভী মিশ্রা বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে এইচআইভি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু আমাদের অঞ্চলে এখন ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মেয়েদের ব্রেস্ট ক্যান্সার আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এখনই এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে, তথ্যকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। যাতে সবাই সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সেগুলো মেনে চলে।

ডা. এম এ হাইর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএসএমএমইউর অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. সারোয়ার আলম, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের নন কমিউনিকেবল ডিজিসেস বিভাগের প্রধান ডা. মিথিলা ফারুকী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here