রামগতি প্রতিনিধি :: মাধ্যমিক স্কুলের পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও শুদ্ধাচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে রামগতি পৌর মিলনায়তনে পানি ব্যবস্থাপনা নাগরিক কমিটি ও বেসরকারি সংস্থা ডর্‌প এর ইন্টিগ্রিটি ইন্‌ স্কুল ওয়াশ প্রকল্পের আয়োজনে ২২ মার্চ স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় মাধ্যমিক স্কুলের পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিনখাতে পৌরসভার ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি মাদ্‌রাসার জন্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বাজেট বরাদ্দ ও শুদ্ধাচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে রামগতি পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র এম মেজবাহ উদ্দিনের কাছে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে রামগতি পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র এম মেজবাহ উদ্দিন এবং নব নির্বাচিত কাউন্সিলরগনকে পানি ব্যবস্থাপনা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

প্যানেল মেয়র মোঃ শাহাদাৎ হোসনেরে সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রকৌশলী এবং পৌর সচবি কামরুল হাসান।

অনুষ্ঠান নব নির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দ এবং পানি ব্যবস্থাপনা নাগরিক কমিটির সদস্যগন উপস্থতি ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করনে ডর্‌প এর ইন্টিগ্রিটি ইন্‌ স্কুল ওয়াশ প্রকল্পের স্কুল মোবলিাইজার গুলশান সুলতানা।

স্মারক লিপি প্রদান অনুষ্ঠানে মেয়র এম মেজবাহ উদ্দিন বলেন, পৌরসভায় অবসি’ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ পানি সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ও পৌরসভাকে শতভাগ স্যানিটেশনের আওতাভুক্ত করা আমার এবারের নির্বাচনী অঙ্গীকার। ডর্‌প এর সহযোগিতায় আমরা ইতোমধ্যে অকেজো অবস্থায় থাকা পাবলিক টয়লেটটি সংস্কার করে নতুন রুপ দেয়া হয়েছে। সেখানে নারীদের জন্য পৃথক সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি আমি মাঝে মাঝে মনিটরিং করে দেখেছি বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রয়েছে। আগামী দিনগুলোতে সকলের সহযোগিতা নিয়ে পৌরসভার অসমাপ্ত কাজগুলি সম্পন্ন করে যাবো। আর বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে আজকে যে স্মারক লিপি প্রদান করা হলো তা আলোচনা পূর্বক বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।

এ সময় তিনি আর বলেন, পৌরসভায় খাতভিত্তিক যে সকল বরাদ্ধ রয়েছে তা নিয়ন্ত্রিত। আর রাজস্ব আয় খুবই সীমিত। তারপর ও ডর্‌প এর আবেদন বিবেচনা করা হবে। শুদ্ধাচার বিষয়ে তিনি বলেন, কাউন্সিলরগন সংস্লিষ্ট ওয়ার্ডের স্কুলগুলোর হাইজিন পরিস্থিতি মনিটরিং করবে, কোথায় কি সমস্যা রয়েছে তা সমাধানের চেষ্টা করবেন।

সভাপতি তার বক্তবে বলেন, ডর্‌প মাধ্যমিক স্কুলের পানি,স্যানিটেশন ও হাইজিন নিয়ে যে কাজ করছে তা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। স্কুল গুলোতে পর্যাপ্ত শৌচাগার থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে ডর্‌প এর পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি এবং পৌরসভার কাউন্সিলরগনকে আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে এ ধরনের আয়োজনের সফলতা আসবে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here