জহিরুল ইসলাম শিবলু,  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :: করোনা প্রতিরোধে উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিন্মআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক, জেলে, কৃষক, সিএনজি চালক, খেটে-খাওয়া শ্রমিক ও ভিক্ষুক সম্প্রদায়ের লোকজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় অবহেলিত এই সব জনগোষ্ঠীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন লক্ষ্মীপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর থেকে এখন পর্যন্ত উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নিন্মআয়ের মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এমপি শাহজাহান কামালের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিতে রাত-দিন ছুটছেন এমপির প্রতিনিধি ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বায়েজীদ ভূঁইয়া। দিন কিংবা রাত অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে তার এই ছুটেচলা চলছে গত নয় দিন থেকে।

প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিপাকে পড়া দিনমজুর, রিকশাচালক, জেলে, কৃষক, সিএনজি চালক, খেটে-খাওয়া শ্রমিক ও ভিক্ষুক সম্প্রদায়ের লোকজনের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তিনি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। এদিকে গত দুদিন আগে অসহায়দের খাদ্য সামগ্রী দিতে তিনি হটলাইন নাম্বার চালু করেন। এই হটলাইন নাম্বারে কেউ ফোন করে ত্রাণ পাইনি কিংবা কেউ ত্রাণ না পেয়ে ঘরে না খেয়ে আছেন এমন কারো সন্ধান দিনে তিনি সাথে সাথে তাদের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। আর রাত হলেই ত্রাণ নিয়ে ছুটেযাচ্ছেন মধ্যবিত্তদের ঘরে। লোক লজ্জার কারণে যারা খাদ্য সামগ্রী নিচ্ছেন না গোপনে তাদের ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। গেল কয়েকদিন ধরেই এই কাজটি অব্যাহত রেখেছেন বায়েজীদ ভূঁইয়া। নীরবেই এই কাজটি করছেন তিনি।

জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দিনমজুরা কাজকর্ম বন্ধ করে বাড়িতে অবস্থান করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মহীন হয়ে পড়া এসব দিনমজুরদের খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন সদর আসনের এমপি শাহজাহান কামালের। চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ ও আলুসহ এক সপ্তাহের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে তাদের। এমপির প্রতিনিধি যুবলীগ নেতা বায়েজীদ ভূইয়া নিজেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে অসহায়দের মাঝে এসব খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছে।

বায়েজীদ ভূঁইয়া জানান, এই দুর্যোগে মানবিক সহায়তা হিসেবে জেলার হতদরিদ্র পরিবার গুলোর মাঝে এমপি শাহজাহান কামালের ত্রাণ সামগ্রী যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ত্রাণ সামগ্রী আসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে রাত-দিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সদর উপজেলার একজন অসহায় মানুষও ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। অসহায় সকল মানুষের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here