যে ৯ খাবার খাওয়া উচিত, কিন্তু আপনি খান না

170627watercressআমাদের সর্বদা বেশি করে শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া উচিত। মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার কম করে খাওয়া উচিত। এ ধরনের কিছু খাবারের তালিকা দেওয়া হলো এ লেখায়। আমরা বেশি করে এসব খাবার খাওয়া শুরু করলে স্বাস্থ্যসচেতনতা যেমন বাড়বে তেমন অন্যান্য খাবারের ওপর চাপও কমবে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. কলার খোসা
কলা স্বাস্থের জন্য ভালো। তবে শুধু কলার ভেতরের অংশই নয়, কলার খোসাও ভালো। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। আর তাই আমাদের সর্বদা কলার খোসা খাওয়া উচিত।

২. ঝিঁঝিঁ পোকা
গবেষকরা বলছেন, ঝিঁঝিঁ পোকা অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ। তাই ঝিঁঝিঁ পোকা খেয়েই আমাদের পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠান ঝিঁঝিঁ পোকা থেকে মজাদার খাবার বাজারজাত করার উদ্যোগ নিয়েছে। জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন সম্প্রতি জানিয়েছে, পোকামাকড় থেকে তৈরি খাবার বিশ্বের ক্ষুধা কমাতে পারে। এক্ষেত্রে পোকামাকড় পালন করা খুব সহজ এবং তাদের খাবারও খুব কম প্রয়োজন হয়।

৩. কাঁঠাল
কাঁঠাল অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। কাঁচা থাকতে এ ফল রান্না করে খাওয়া যায়। তবে পাকলে এ ফলের কোয়াগুলোই শুধু খাওয়া যায় না এর বীজগুলোও রান্না করে খাওয়া যায়। এটি নানা ফলমূলের সঙ্গে মিশিয়ে উপাদেয় করে খাওয়া যায়। তাই আমাদের সর্বদা কাঁঠাল খাওয়া উচিত।
৪. ওলকপি
ওলকপি একটি আঁশসমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার। এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন সি, বি৬ ও পটাসিয়াম রয়েছে। তাই মার্কিন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-এর তথ্যমতে এটি নিয়মিত খাওয়া উচিত। একে পাওয়ারহাউজ ফুডস হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে তাদের তালিকায়। গবেষকরা বলছেন, এটি ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।
৫. চিকোরি
আপনার সালাদে পাতা কপির বদলে যোগ করতে পারেন চিকোরি। এটি মূলত ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের একটি সবজি। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণ।
৬. ব্রেডফ্রুট
আরেকটি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার হলো ব্রেডফ্রুট। এটি উষ্ণ, রৌদ্রজ্জ্বল ও আর্দ্র আবহাওয়ায় জন্মে। ফুটবল আকারের এ ফলটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এর গাছ কোনো পরিচর্যা ছাড়াই বড় হয় তিন থেকে পাঁচ বছরে।
৭. ব্রোকলি পানি
ফুলকপি ধরনের সবজি ব্রোকলি। শুধু এটি যে পুষ্টিকর তা নয়, এর সেদ্ধ পানিও পুষ্টিকর। এর পরের বার আপনি যখন এটি সেদ্ধ করবেন তখন পানিটি কোনোমতেই ফেলে দেবেন না। কারণ এ পানি সুপ, সস কিংবা ঝোল হিসেবে তরকারিতে ব্যবহার করা যায়।
৮. লায়নফিস
সাগরের একটি মাছের নাম লায়নফিস। মূলত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এর দেখা পাওয়া যায়। এছাড়া ক্যারিবিয়ান, আটলান্টিক ও গালফ অব মেক্সিকোতে এটি প্রচুর পাওয়অ যায়। বহু মানুষই এ মাছকে অ্যাকুরিয়ামে রাখতে পছন্দ করেন। তবে এ মাছটি খাদ্য হিসেবেও অত্যন্ত ভালো।
৯. পানির শাক
আপনার বাড়ির আশপাশের জলাভূমিতেই জন্মায় নানা ধরনের শাক। এসব শাকে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। সালাদে এসব শাক ব্যবহার করা যায়। আবার রান্না করেও খাওয়া যায়। নানা ধরনের শাকসবজি খেলে টাইপ-টু ডায়াবেটিস যেমন নিয়ন্ত্রণ করা যায় তেমন তা পুষ্টির চাহিদাও মেটায়। তাই সর্বদা আমাদের নানা ধরনের শাকসবজি খাওয়া উচিত। – See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/06/23/373559#sthash.TdWeZq5J.dpuf

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কোন কারণে জরায়ু ও স্তন ক্যান্সার হতে পারে?

ডেস্ক নিউজ :: যেসব নারীরা কর্মক্ষেত্রে এবং বাড়িতে বেশিরভাগ সময় বসে কাটান ...