যুক্তরাষ্ট্রের না বলায় সিরীয় শরনার্থীদের ঠাঁই দিচ্ছেন কানাডা মিনারা হেলেন (বাংলা প্রেস), নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বদলে কানাডায় ঠাঁই পাচ্ছেন সিরীয় শরনার্থীরা। যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কানাডায় শরণার্থী প্রবেশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টির চিন্তা করছে দেশটির কেন্দ্র সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় নারী ও শিশুসহ শরণার্থী পরিবারগুলোকেই শুধু প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনার আওতায় কোনো নিঃসঙ্গ শরণার্থী কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাবে না। শরনার্থী প্রবেশ ও কানাডায় তাদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সরকার বিস্তারিত একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সময় সোমবার রাতে প্রাদেশিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ২৫ হাজার শরণার্থীকে স্বাগত জানানোর ব্যাপারে ও এ সংকট মোকাবেলায় আমরা সবাই একমত হয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, দিনে নয়শ' করে শরণার্থী প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কানাডার সরকার। এ হিসাবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২৫ হাজারকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অনুমতি পাওয়া শরণার্থীরা তুরস্ক, জর্দান ও লেবানন হয়ে আসবে। নতুন প্রবেশ করা বেশিরভাগ শরণার্থীর প্রথম ঠিকানা হবে সেনা ঘাঁটিগুলোয়। ঘাঁটিগুলো এরই মধ্যে তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছে। এছাড়া হোটেল ও পরিত্যক্ত হাসপাতালগুলোও শরণার্থীদের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা হবে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি অংঙ্গরাজ্যের গভর্নররা গত সপ্তাহে ঘোষণা দিয়েছেন প্যারিসে হামলার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় সিরিয়া থেকে আসা শরণার্থীদের তাদের রাজ্যে জায়গা দেওয়া হবে না। তবে গভর্নররা আইনগতভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কিনা সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, শরণার্থীদের মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি আমেরিকার মূল্যবোধবিরোধী। যুক্তরাষ্ট্রের না বলায় সিরীয় শরনার্থীদের ঠাঁই দিচ্ছেন কানাডা মিনারা হেলেন (বাংলা প্রেস), নিউ ইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বদলে কানাডায় ঠাঁই পাচ্ছেন সিরীয় শরনার্থীরা। যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কানাডায় শরণার্থী প্রবেশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টির চিন্তা করছে দেশটির কেন্দ্র সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় নারী ও শিশুসহ শরণার্থী পরিবারগুলোকেই শুধু প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস। সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনার আওতায় কোনো নিঃসঙ্গ শরণার্থী কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাবে না। শরনার্থী প্রবেশ ও কানাডায় তাদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সরকার বিস্তারিত একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সময় সোমবার রাতে প্রাদেশিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ২৫ হাজার শরণার্থীকে স্বাগত জানানোর ব্যাপারে ও এ সংকট মোকাবেলায় আমরা সবাই একমত হয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, দিনে নয়শ' করে শরণার্থী প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কানাডার সরকার। এ হিসাবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২৫ হাজারকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অনুমতি পাওয়া শরণার্থীরা তুরস্ক, জর্দান ও লেবানন হয়ে আসবে। নতুন প্রবেশ করা বেশিরভাগ শরণার্থীর প্রথম ঠিকানা হবে সেনা ঘাঁটিগুলোয়। ঘাঁটিগুলো এরই মধ্যে তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছে। এছাড়া হোটেল ও পরিত্যক্ত হাসপাতালগুলোও শরণার্থীদের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা হবে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি অংঙ্গরাজ্যের গভর্নররা গত সপ্তাহে ঘোষণা দিয়েছেন প্যারিসে হামলার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় সিরিয়া থেকে আসা শরণার্থীদের তাদের রাজ্যে জায়গা দেওয়া হবে না। তবে গভর্নররা আইনগতভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কিনা সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, শরণার্থীদের মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি আমেরিকার মূল্যবোধবিরোধী। বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক থেকে :: যুক্তরাষ্ট্রের বদলে কানাডায় ঠাঁই পাচ্ছেন সিরীয় শরনার্থীরা। যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কানাডায় শরণার্থী প্রবেশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টির চিন্তা করছে দেশটির কেন্দ্র সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় নারী ও শিশুসহ শরণার্থী পরিবারগুলোকেই শুধু প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনার আওতায় কোনো নিঃসঙ্গ শরণার্থী কানাডায় প্রবেশের অনুমতি পাবে না। শরনার্থী প্রবেশ ও কানাডায় তাদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে গতকাল মঙ্গলবার দেশটির সরকার বিস্তারিত একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সময় সোমবার রাতে প্রাদেশিক নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ২৫ হাজার শরণার্থীকে স্বাগত জানানোর ব্যাপারে ও এ সংকট মোকাবেলায় আমরা সবাই একমত হয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, দিনে নয়শ’ করে শরণার্থী প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কানাডার সরকার।

এ হিসাবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২৫ হাজারকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অনুমতি পাওয়া শরণার্থীরা তুরস্ক, জর্দান ও লেবানন হয়ে আসবে। নতুন প্রবেশ করা বেশিরভাগ শরণার্থীর প্রথম ঠিকানা হবে সেনা ঘাঁটিগুলোয়।

ঘাঁটিগুলো এরই মধ্যে তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছে। এছাড়া হোটেল ও পরিত্যক্ত হাসপাতালগুলোও শরণার্থীদের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা হবে।

এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬টি অংঙ্গরাজ্যের গভর্নররা গত সপ্তাহে ঘোষণা দিয়েছেন প্যারিসে হামলার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় সিরিয়া থেকে আসা শরণার্থীদের তাদের রাজ্যে জায়গা দেওয়া হবে না।

তবে গভর্নররা আইনগতভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কিনা সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, শরণার্থীদের মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি আমেরিকার মূল্যবোধবিরোধী।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here