ইয়ানূর রহমান ::

দীর্ঘদিন পরে যশোরের মণিহার প্রেক্ষাগৃহে হাউসফুল হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে ‘হাওয়া’ ছবিটি দেশের ঐতিহ্যবাহী এ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। ইতিবাচক সাফল্য দেখাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘হাওয়া’। এখনো হাউসফুল ব্যবসা করছে ছবিটি।

মণিহার প্রেক্ষাগৃহের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনচারটি করে শো হয়। এর মধ্যে শুক্রবার দুটি শো হাউসফুল হয়েছে। যা গেল পাঁচ বছরের মধ্যে আবারও দেখা গেল।

তিনি আরো বলেন, মণিহার প্রেক্ষাগৃহে রয়েছে ১ হাজার ৪০০টি আসন। এর মধ্যে ওপরতলায় ৫৫১ আসন আর নিচে ৮৫০ আসন। প্রতিদিন স্পেশাল, ম্যাটিনি, ইভিনিং ও নাইট মিলিয়ে চারটি শো হয়।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বললেন, ‘সব শোতে তো আর একই রকম দর্শক হয় না। আমাদের তো আসলে অনেক বড় হাউস, সিনেপ্লেক্সগুলোতে তো দুই শ থেকে আড়াই শ কখনো তিন শ। তাই এ ধরনের ছবি দিয়ে সব আসন পূর্ণ করা সম্ভব।

দর্শকদের আবার হলমুখী দেখে আমরা খুবই খুশী। মন্দার এ বাজারে প্রথম দিন শুক্রবার আমরা দুই লাখ টাকার ওপরে টিকিট বিক্রি করেছি।’

প্রেক্ষাগৃহ সুত্রে জানা যায়, মণিহার প্রেক্ষাগৃহে ওপরতলার আসনের টিকিট মূল্য ১০০ টাকা আর নিচে ৮০ টাকা।

যশোরের মণিহারে ‘হাওয়া’র রেকর্ড‘হাওয়া’ ছবিটি দেখতে কোন ধরনের দর্শকেরা আসছেন, জানতে চাইলে জিয়াউল ইসলাম বললেন, ‘সকালের দিকে যাঁরা আসেন, বেশির ভাগ স্টুডেন্ট ও ইয়াং ছেলেমেয়ে। সন্ধ্যার দিকে একটু বয়স্ক মানুষেরা আসেন।
“হাওয়া’র মত ছবি মুক্তি দিলেই এ ধরনের দর্শকেরা দেখতে আসেন। “হাওয়া”র মত মানে “মনপুরা”, “হাওয়া”, “পরাণ”, “ঢাকা অ্যাটাক” ও “স্বপ্নজাল” মত ছবি।’

মণিহার প্রেক্ষাগৃহ গেল ঈদে চালিয়েছে ‘দিন দ্য ডে’ ছবিটি। এরপর তারা মুক্তি দেয় ‘পরাণ’। ছবিটি দুই সপ্তাহ চলে। এরপর মুক্তি দিয়েছে ‘হাওয়া’।

জিয়াউল ইসলাম বললেন, “‘দিন দ্য ডে” ছবির ব্যবসা খুব খারাপ গেছে। এর থেকে “পরাণ” ভালো হয়েছে। তবে কোনো শো হাউসফুল পাইনি। আর এখন যে “হাওয়া” চালাচ্ছি, এটার সাড়া সবচেয়ে ভালো। যেভাবে দর্শক আসছে, ভালোই লাগছে।’

এদিকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া তাদের ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়েছে, ‘গতকাল যশোরের মণিহার সিনেমা হলে “হাওয়া’ সিনেমার সেল হয়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৪০০ টাকা, যা ২০১৭ সালে ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত “বস-২” সিনেমার পরে সর্বোচ্চ সেল।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here