ডেস্ক রিপোর্ট : : মিয়ানমারে চলমান জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে সেনাবাহিনীর বল প্রয়োগের বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়ের চাপ প্রয়োগ অব্যাহত আছে। গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান জানানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলো জোট আসিয়ান। এদিকে মিয়ানমারে বিক্ষোভে ক্রমেই বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলি চালানোর ঘটনা।

গণতন্ত্রের দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন তারা। ফিরেছেন লাশ হয়ে। মিয়ানমারে চলমান বিক্ষোভে নিহতদের শেষ বিদায় জানানো হয় মঙ্গলবার (২ মার্চ)। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পরে মরদেহ নিয়েও বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা।

প্রথমদিকে খানিকটা নমনীয় থাকলেও ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে বাড়ছে নিরাপত্তা বাহিনীর সরাসরি গুলি চালানোর ঘটনা। এ ছাড়াও বিক্ষোভ দমনে টিয়ার শেল, জলকামান এবং গ্রেনেডও ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে দাবি আদায়ে একাট্টা সামরিক সরকারবিরোধীরা। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আগ পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় তাদের।

মিয়ানমারে চলমান চরম রাজনৈতিক সংকটে উদ্বেগ প্রকাশ অব্যাহত রেখেছেন বিশ্ব নেতারা। দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলো জোট আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক থেকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করা হয়। সেই সঙ্গে আহ্বান জানানো হয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে।

পরে জোটের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (০২ মার্চ) সংবাদ সম্মেলন করেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেটনো মার্সুদি।

ইন্দোনেশিয়া এবং আসিয়ান মিয়ামারে চলমান সংহিসতায় গভীর উদ্বিগ্ন। নিহত এবং আহতদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দেশটিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। এটাই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় বলে জানান তিনি।

এদিকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। ১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মিয়ানমারে ৬ সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here