মামার বিদায় ও অশ্রু ভেজা স্মৃতি

রহিমা আক্তার মৌ :: বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের মহামারী। ২৬ মার্চ ২০২০ থেকে শুরু হওয়া লকডাউন শেষ হয় ৩০ মে ২০২০ রোজ শনিবার। ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে অফিস আদালত খোলা হয়। ২৫মে ২০২০ ছিল ব্যতিক্রমী এক ঈদের দিন। দীর্ঘ একমাস রোজা রাখার পর আমাদের সবার অন্য রকম এক ঈদ উৎযাপন, এবার ঘরে ঘরে পালিত হয় সবার ঈদ। ১ জুন ২০২০ সোমবার না ফেরার দেশে চলে যান আমার ছোট মামা বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক দি ইনস্টিটিউট অব সার্টিফাইড জেনারেল অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সদ্যপ্রয়াত সভাপতি ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া। খবর শুনেই কল দিই আমার ছোট ভাই মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল (FCA) কে। ওর কাছে জানতে পারি সকাল ৬টায় মামা না ফেরার দেশে চলে যান। কিছু পরে মা কে কল দিই। মায়ের সাথে কথা হয়। উনিই বলেন মামা রাতে হাসপাতালে ছিলেন। উনার করোনা পজেটিভ এসেছে। মামা অনেক দিন থেকে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়লসিস করতেন।  মায়ের সাথে কথা শেষ হবার পর আমার  ছোট মেয়েটা জিজ্ঞেস করে-
–মা নানী কি কাঁদছে।
–কাঁদছে না, মন খারাপ খুব।
মেয়ে দেখছে আমিও কাঁদছি না। স্বাভাবিক ভাবে চলছি খোঁজ খবর নিচ্ছি অন্যদের থেকে।
ওর প্রশ্ন-
মা, মানুষ বড় হলে মানে বয়স্ক হলে কি কঠিন হয়ে যায়? আবেগ কি হারিয়ে যায়?
.
আমি তেমন কোন জবাব দিতে পারিনি ওকে, শুধু বলেছি-
-এখন এমন একটা সময় পার করছি মৃত্যু সংবাদ শুনে ছুটে যাবো তা পারছিনা। দুর থেকেই বিদায় দিতে হচ্ছে আপনজনকে।
.
মা বললেন মামাকে দাফন করা হবে বান্দরবন লামায়, মামা নিজেই বলে গিয়েছিলেন উনাকে ওখানে কবর দেয়ার জন্যে। মামা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের অ্যাডভাইজার ছিলেন।
.
এক নজরে ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়ার পরিচিতি-
“ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া ছিলেন সমাজের একজন সুপরিচিত উজ্জ্বল পেশাদার হিসাবরক্ষক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। নোয়াখালী জেলার আওতাধীন চাটখিল উপজেলার হরিপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবার নাম আবদুল হাকিম ভূঁইয়া আর মায়ের নাম খায়রুন নেসা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এবং নিউ ক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন।
.
সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া ইনস্টিটিউট অফ সার্টিফাইড জেনারেল অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিজিএবি) এবং অ্যাসোসিয়েশন অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ানস অফ বাংলাদেশ (এএটিবি) এর প্রতিষ্ঠাতা ও স্বপ্নদ্রষ্টা। তিনি এমসি, জিওবির অনুমতি নিয়ে ২০০১ সালে এএটিবি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসাবে দীর্ঘ ১৮ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এএটিবি’কে বাংলাদেশ সার্টিফাইড জেনারেল অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইসিজিএবি) হিসাবে উন্নীত করেন।
.
ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া আইসিএমএবি-র কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ), আইসিএসবি-এর চার্টার্ড সেক্রেটারি (সিএস), আইএফসি থেকে সার্টিফাইড ফিনান্সিয়াল কনসালট্যান্ট (সিএফসি), এবং আইসিজিএবি থেকে সার্টিফাইড জেনারেল অ্যাকুয়্যান্ট্যান্ট (সিজিএ) রয়েছেন। তিনি এই চারটি প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ফেলো সদস্য। ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া সাফস (SAFS) এডুকেশন ফাউন্ডেশন, সাফস বিজনেস ইনস্টিটিউট, এসএফএস-স্কুল অফ অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফিনান্স স্টাডিজ, ইনস্টিটিউট অফ কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং উত্তরা আইডিয়াল কমার্স কলেজের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা।
.
তিনি সর্ব প্রথম এসকিউআইবিবিতে একটি বহুজাতিক ফার্মাসেটিভ সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল কর্পোরেশনে কাজ করেছেন। নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পরামর্শক হিসাবে এডিবি হিসাবে বাংলাদেশের ইনস্টিটিউট কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস। ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন নিবন্ধিত স্নাতক, অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ কমনওয়েলথ স্কলার্সের আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ প্রোবীন হিটোশি সাঙ্গার আজীবন সদস্য, সক্রিয় সদস্য কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন এবং স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ইত্যাদি অনেক সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমি, বাংলাদেশ রেনেসা এ সোসাইটির মতো অনেক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ভূষিত হন।
.
ব্যক্তিগত জীবনে ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উজ্জ্বল ছাত্রী অধ্যাপক আমেনা বেগমের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে আমেনা বেগম একটি কলেজের প্রধান অধ্যক্ষ ও মহাপরিচালক হিসাবে কর্মরত আছেন।দাম্পত্য জীবনে তাদের রয়েছে দুই কন্যা সন্তান। বড় মেয়ে ফারাহ বিনতে সালেহ লন্ডনে একটি অ্যাকাউন্টিং ফার্মের ব্যবস্থাপনা অংশীদার। ফারাহ ব্রিটিশ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস থেকে ডিগ্রী অর্জন করেন।
ছোট মেয়ে সারা বিনতে সালেহ লন্ডনে রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স অফিসার হিসাবে একটি বৃহত্তম সরকারী মালিকানাধীন আবাসন সংস্থায় কর্মরত।”
.
ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়াকে নিয়ে আইসিজিএবির ইতিহাস-
“২০০০ সালে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বপ্নদ্রষ্টা ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া এফসিএফসি, এফসিএস, এফসিএমএ, এফসিজিএ বাংলাদেশের মূল্যায়ন ও ব্যবস্থাপনা হিসাবরক্ষক (আইসিএমএবি) এর নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেই সময় তাকে আন্তর্জাতিক ফেডারেশন অফ অ্যাকাউন্ট্যান্টস (আইএফএসি), কনফেডারেশন অফ এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সিএপিএ), সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অফ অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) এবং বিশ্বের অন্যান্য নামী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। তিনি দেখতে পেলেন যে যুক্তরাজ্যে এসিসিএ, আইসিএইউইউ, সিআইএমএ, সিআইপিএফএ, সিএএস এর মতো অনেক চার্টার্ড এবং নন-চার্টেড অ্যাকাউন্টিং সংস্থা রয়েছে। তাদের যোগ্য সদস্যরা বিশ্বব্যাপী সিনিয়র পদে কাজ করছেন এবং তারা কিছুটা পারিশ্রমিক পেলেন। তিনি যখন সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স করছিলেন তখন তিনি দেখেছিলেন এসিসিএ বিশ্বের যে কোনও জায়গা থেকে পড়াশোনা করতে পারে এবং এএটি মধ্য স্তরের হিসাবরক্ষকদের জন্য ইনস্টিটিউট বৃদ্ধি করছে। তিনি দেশে উন্নয়ন অ্যাকাউন্টিং পেশার জন্য এএটির মতো একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার চিন্তাভাবনা করেছিলেন। তদনুসারে, আইসিএমএবি থেকে চাকরি ছাড়ার পরে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনে, দেশের জনগণের প্রজাতন্ত্রের বাংলাদেশ এবং পাশাপাশি তিনি একমাত্র অগ্রগামী টিউশন সরবরাহকারী হিসাবে এসিসিএ টিউশন সরবরাহ শুরু করে এবং এটি অব্যাহত রাখার জন্য তিনি এএটিবি শুরু করেন।সম্পর্কিত, এএটি নিজে লোগো, প্রসপেক্টাস, সিলেবাস প্রস্তুত করেছিলেন এবং সম্ভাব্য ব্যক্তিকে এএটি যোগ্যতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করেছিলেন।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া ২০১৩ সালে চিকিৎসার জন্য ইউকে গিয়েছিলেন এবং ২০১৪ সালে ফিরে এসে দেখেন যে ইনস্টিটিউটটি প্রায় মারা গেছে। কাউন্সিলররা ইনস্টিটিউট ত্যাগ করেন।আবার তিনি কিছু উত্সর্গীকৃত ব্যক্তির সাথে পুনরায় এএসটি পুনর্গঠন করেন, এবং প্রসপেক্টাস প্রস্তুত করে সিলেবাস আপগ্রেড করেন। ২০১৫ সালে তিনি আইসিজিএবির নামে ইনস্টিটিউটকে উন্নীত করার প্রস্তাব করেন কাউন্সিল এবং সাধারণ সদস্যগণ সর্বসম্মতভাবে ইজিএমের মাধ্যমে অনুমোদিত হন। প্রতিষ্ঠাতা দীর্ঘ দুই বছরের জন্য সরকারের কাছ থেকে অনুমোদনের জন্য জনাব মামুন বা রশিদ কাউন্সিল সদস্য, মিঃ, শহীদুর রহমান সহসভাপতি এবং জনাব জহিরুলকুম সিনিয়র সহসভাপতিকে নিয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলেন। ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ এ আইসিজিএবি মন্ত্রিপরিষদ বাণিজ্য দ্বারা অনুমোদিত, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সর্বদা তাঁর আন্তরিক বিবেচনা এবং তাঁর সহকর্মীদের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের জনাব শুভাশীষ বোসকে তাঁর সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জানান। আবার প্রসপেক্টাস তৈরি করে সিলেবাস আপগ্রেড করে। ২০১৫ সালে তিনি আইসিজিএবির নামে ইনস্টিটিউটকে উন্নীত করার প্রস্তাব করেন কাউন্সিল এবং সাধারণ সদস্যগণ সর্বজনীনভাবে ইজিএমের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়েছিল”।
.
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক দি ইনস্টিটিউট অব সার্টিফাইড জেনারেল অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সদ্যপ্রয়াত সভাপতি ডক্টর সালেহ আহমেদ ভুঁইয়া স্মরণে এবং তার শিক্ষা কার্যক্রম ও অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অচিরেই গঠিত হতে যাচ্ছে ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনটি গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা সিজিএ মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ এফসিজিএ বলেন,
“সিজিএ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সদ্যপ্রয়াত সভাপতি ডক্টর সালেহ আহমেদ ভূঁইয়ার সহধর্মিনী অধ্যাপিকা আমেনা বেগমের নেতৃত্বে খুব দ্রুত সালেহ আহমেদ ভূইয়া ফাউন্ডেশন গঠন করা হবে। সংগঠনটি গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদ্যপ্রয়াত আহমেদ ভূঁইয়ার স্বপ্ন, তার শিক্ষা ও সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড গুলোকে অব্যাহত রাখা। পাশাপাশি তার অসমাপ্ত কার্যাবলীগুলো যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সেগুলো কে চালু রাখা”।
.
ছোটমামা ঢাকায় থাকতেন। ১৯৭৫ সালে মা যখন কুমিল্লা ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট থাকতেন তখন ছোটমামা বেড়াতে আসেন আমাদের বাসায়। আমার বড় বোন তখন মাত্র কথা বলতে শিখছে। আপা ছোট মামাকে সালেহহহ বলে ডাকতো এটা মা ও মামার মুখে শুনেছি। দাদী মামাকে সালেহ আহমেদ বলে ডাকতেন, তাই শুনেই আপাও ডাকতে শিখে। মামা প্রায় আপাকে বলতেন,
“নাজমা তুই তো ছোট বেলায় আমার নাম ধরে ডাকতি। পুরো নাম তো বলতে পারতি না, তাই শক্তি দিয়ে সালেহহহ বলে ডাকতি”।
.
অনেক ব্যস্ত থাকতেন মামা নিজের দায়িত্ব নিয়ে। মাঝে মাঝে ঈদে মামা আসতেন মায়ের বাসা সাভারে, আমরাও যেতাম। সারাদিন অনেক অনেক গল্প হতো। আবার মাঝে মাঝে ঈদে বা পারিবারিক আয়োজনে আমরাই যেতাম মামার বাসায়। প্রায় সকল ঈদে মামা আমাদের খুদেবার্তায় ঈদ শুভেচ্ছা জানাতেন। সম্ভবত ২০১৬ সালে ঈদের একদিন পর আমরা সবাই মামার বাসায় যাই। সেদিন মামাকে একেবারেই অন্যভাবে আবিস্কার করি। সেই ব্যস্ত মামার ব্যস্ততা কম, সারাদিন আমাদের সাথে গল্প, আড্ডা আর ছবি তোলা। দুপুরে আমরা সবাই খেতে বসি, মামা আমাদের সাথে বসেন নি। উনি বলেন-
.
“আমার খাওয়ার মেনু তো আলাদা, এক সাথে বসে কি হবে। বরং তোমরা সবাই বসো আমি ঘুরে ঘুরে দেখি আর তোমাদের পরিবেশন করি”।
.
২০১৯ সালে মামার ছোট মেয়ে সারার বিয়েতে আমরা সবাই এক হই। প্রায় পুরো পরিবার ঢাকায় যারা ছিলেন সবাই। মামা নেই আছে উনার স্মৃতি গুলো। মামার স্বপ্ন এগিয়ে যাবে, ওপারে ভালো থাকবেন মামা এটাই চাওয়া আল্লাহর কাছে।
.

.

.

.

লেখক: সাহিত্যিক কলামিস্ট ও প্রাবন্ধিক।

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

৬ মাসে বিরাটের সঙ্গে মাত্র ২১ দিন কাটিয়েছি: আনুশকা শর্মা

ডেস্ক নিউজ :: ভারতীয় ক্রিকেট ও বলিউডে বরাবরের মতোই আলোচনায় বিরাট ও ...

0Shares