মন্ত্রিপরিষদে নতুনদের ওপর নজর রাখবো কে কি করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার :: নবগঠিত মন্ত্রিসভাকে জনগণ ভালভাবেই গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর দল দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন একটি ভবিষ্যত প্রজন্ম তৈরি করে রেখে যেতে চায়।

নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদে নতুনদের স্থান দেয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি করে রেখে যাই। আমার পরিস্কার কথা সেজন্যই আমরা পরিবর্তন এনেছি। সবার ওপর নজর রাখবো এবং কে কি করে আমরা দেখতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘বয়স ৭০-এর ওপরে হয়ে গেছে কখন মরে যাই তার ঠিক নাই। তাই আমরা নতুন প্রজন্মের ওপরে দায়িত্ব দিয়ে দেখতে চাই তাঁরা কেমন পারে। যদিও নিউজেনারেশনের কারোরই বয়স এখন কম নয়, কাজেই তাদের সবাইকে বিষয়গুলো জানতে হবে, বুঝতে হবে এবং তারপর কাজ করতে হবে।’

নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের নেতৃবৃন্দ মঙ্গলবার রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে এলে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি তাঁর মন্ত্রিপরিষদে নতুনদের বেশি সুযোগ করে দেয়ার সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা এবার যে সরকার গঠন করলাম সেখানে আমি একটা কাজ করেছি। যারা ১০ বছর একটানা মন্ত্রী ছিলেন, তাদের পরিবর্তে নতুন কিছু মুখ নিয়ে আসতে চাচ্ছিলাম।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তবে যারা মন্ত্রী ছিলেন তারা সফল ছিলেন বলেই উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটেছে এবং জনগণের জীবন-মানের উন্নয়ন হয়েছে। কাজেই এমন কথা যেন আমি না শুনি তারা ব্যর্থ ছিলেন বলেই বাদ দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারেও তাঁর দল তরুণ প্রজন্মের জন্য কি কি করা যায় সে ধরনের একটি অধ্যায়ের সংযোজন করেছে।
তিনি নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন দেশে এবং সেসব দেশের দূতাবাসে গিয়ে বিএনপি’র অভিযোগ জানানোর সমালোচনা করে বলেন, পরবর্তীতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিভিন্ন বিদেশী সংস্থার প্রতিনিধিরা দেশের ভোট কেন্দ্রে ভোটার তথা মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি দেখে অবাক হয়ে গেছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মন্তব্য করেন আমরা শুনলাম কি আর দেখছি কি।’

তিনি তাঁর কাছে থাকা ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলের উল্লেখ করে বলেন, আমাদের সে সময়কার প্রাপ্ত ভোট আর বর্তমানের খুব বেশি তফাৎ নাই। তবে ২০০৮ এর নির্বাচনী আসন থেকে এবার আসন আমরা বেশি পেয়েছি। বিএনপি’র মনোনয়নের কারণে তাদের জেতা সীটগুলোও তারা হারিয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৮৬ দশমিক ৯১ শতাংশ আর ২০১৮ সালে হচ্ছে ৮০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন অনেকটা অংকের মত হিসেব করে যদি করা যায় তাহলে ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায়। শুধু মনোনয়ন দেয়া বা কাকে দেয়া হলো সেটা বিষয় নয়, বিষয়টা অনেকটা অংকের মত হিসেবে করা।

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ডাকসু নির্বাচন

ডাকসু নির্বাচন ১১ মার্চ

স্টাফ রিপোর্টার :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ ...