ব্রেকিং নিউজ

ভোলা-বরিশাল ব্রিজ এর পর নির্মাণ হবে ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজ: তোফায়েল আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টার :: সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে খুব শিগগিরই আমরা ভোলা-বরিশাল ব্রিজ দেখতে পাব। সেদিন বেশি দূরে নয়। তখন আর ভোলা যে বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ থাকবে না। মূল ভূ-খণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবে। এর পর ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজ হবে। এতে চট্টগ্রাম থেকে পায়রা ও মোংলা বন্দর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে। সে লক্ষ্য নিয়েই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে চলেছেন। আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রাখুক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা জেলা প্রশাসক হল রুমে ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণ প্রস্তাবনার অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হলে ভোলা হবে একটি শিল্পায়নের যায়গা। এখানে পর্যাপ্ত গ্যাস আছে। এখানে গ্যাসভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে উঠবে। এক কথায় ভোলা হবে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী জেলা।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হবে এবং একদিন ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজও নির্মাণ করা হবে।

সভায় সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বেলায়েত হোসেন জানান, ইতিমধ্যে ভোলা-বরিশাল ব্রিজের ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তার চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিবে কমিটি। তার পর আমরা সেটি পর্যালোচনা করে দেখবো।

২০২৫ সালের মধ্যে ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে জার্মানি ও চাইনিজসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি আবেদন জমা দিয়েছে। সাড়ে ৯ কিলোটির দৈর্ঘের এ ব্রিজটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে আঁড়িয়াল খাঁ-কালাবদর নদীর ওপর সাড়ে তিন কিলোমিটার ও তেঁতুলিয়া-ইলিশা নদীর উপর দেড় কিলোমিটার মোট দুইটি ব্রিজ এবং বাকী সাড়ে চার কিলোমিটার এ্যাপ্রোস সড়ক হবে।

ব্রিজের একটি স্প্যান থেকে অন্যটির দুরুত্ব হবে ২০০ মিটার। নদীর ১২০ মিটার গভীরে গিয়ে পিলার বসাতে হবে। ১২০ মিটার গভীরে গিয়ে কাজ করাটা কষ্টের, তবে একটি করা সম্ভব। কেন না পদ্মা ব্রিজ করতে গিয়ে আমরা ১২৮ মিটার গভীরে গিয়েও কাজ করতে হয়েছে।

মো. বেলায়েত হোসেন জানান, ২০৪১ সালের আমাদের যে রূপকল্প আছে তাতেও ভোলা-বরিশাল ও ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজের কথা উল্লেখ আছে। ইতিমধ্যে ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজের ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সিটিও শুরু করা হয়েছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভোলা-৩ (লালামোহন-তজুমদ্দিন) আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাহাবুদ্দিন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুর রহমান পাটওয়ারী, ভোলা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

করোনা ভ্যাকসিন পাওয়ার দৌড়ে বাংলাদেশ কতদূর?

ডেস্ক নিউজ :: একটি ভ্যাকসিনই আপাতত করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ভরসা বলে মনে করছেন ...