ব্রেকিং নিউজ

ব্যতিক্রমধর্মী কৃষি পণ্য মেলা করেছে ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল

জহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :: “কৃষি পণ্যের সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য” এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে ধারণ করে ৩০০টি কৃষি পণ্য দিয়ে ব্যতিক্রম ধর্মী কৃষি পণ্য মেলার আয়োজন করেছে লক্ষ্মীপুর ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল।

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী শহরের বাগবাড়ি এলাকায় স্কুলের নিজস্ব ক্যাম্পাসে প্রায় অর্ধশতাধিক স্টলে ছাত্র-ছাত্রীরা কৃষি উপকরণ নিয়ে কৃষকের সাজে ৩০০টি পণ্য দিয়ে নিজেদের স্টল সাজিয়ে বসেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মেলার উদ্বোধন করেন, সাবেক বে-সরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামাল।

আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন, স্কুলের অধ্যক্ষ প্রফেসর রফিকুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান সবুজ প্রমুখ।

এ সময় ব্যতিক্রম ধর্মী এই আয়োজন দেখতে ভিড় জমিয়ে ছিলেন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবকসহ স্থানীয় হাজারো মানুষ। কেউ ঘুরে-ঘুরে দেখছিলেন, আবার কেউ ছাত্র-ছাত্রীদের স্টল থেকে তাজা শাক-সবজি ক্রয় করে নিয়েছেন।

স্কুলের উপাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান সবুজ জানান, ছাত্র-ছাত্রীদের কৃষক ও কৃষি পণ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যই আমাদের এই আয়োজন।

এই মেলার মাধ্যমে প্রায় অর্ধশতাধিক স্টলে ৩০০টি কৃষি পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিশ্বায়নের এ যুগে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আধুনিক কৃষির কোন বিকল্প নাই। আধুনিক কৃষিতে দেশকে উন্নত করতে পারে আমাদের শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে কৃষি পণ্যের এই মেলার আয়োজন করায় আয়োজকদের সাধুবাদ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে লক্ষ্মীপুর ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, কৃষি ও কৃষক আমাদের অতি পরিচিত একটি নাম। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের শহরের ছাত্র-ছাত্রীরা শুধু বইয়ের মাধ্যমে এই পরিচিতিটি পেয়ে থাকে। তারা বাস্তাবে এই কৃষির অভিজ্ঞতা পায়না আবার পেলেও এই বিষয়ে তাদের আগ্রহ কম। কৃষি আমাদের প্রাণ, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু কৃষকদেরকে কৃষি কাজে উৎপাদনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করার যে ঘোষনা দিয়েছেন, তখন তার ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশের কৃষক তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন। তাদের সেই কাজ এখনো অব্যাহত রয়েছে। লেখা-পড়ার করে শুধুই যে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে তা নয়। আমাদের ছেলে মেয়েদেরকেও লেখা-পড়া শিখে হতে হবে এবং একজন আধুনিক কৃষক হতে হবে। 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জয়ন্ত বাগচী’র বিজয় দিবসের বিশেষ কবিতা ‘জড়ায় আঁচলে বার বার’

জড়ায় আঁচলে বার বার –জয়ন্ত বাগচী  কেন  প্রশ্নেরা বার  বার   প্রশ্নের মুখে  ...