ইয়ানূর রহমান ::

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। দুই মাস পরে সরকার ইমপোর্ট পারমিট দেওয়ায় গতকাল বিকেল থেকে প্রতি মেট্রিক টন পেয়াজ ১৫০ ইউএস ডলার মূল্যে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। আমদানি মূল্যের উপর ১০ শতাংশ শুল্ককর পরিশোধ করে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি খরচ পড়ছে ৩৪ টাকা। বাজারে বিক্রী হচ্ছে ৩৬ টাকায়। আমদানি স্বাভাবিক হলে পেঁয়াজের মূল্য আরো কমবে বলে মন্তব্য করেছেন আমদানিকারকরা।

এদিকে, পেঁয়াজ আমদানির খবরে প্রথম দিনেই খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের দর কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রী হচ্ছে ৪০ টাকায়। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর আমদানি বন্ধে বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। তবে, দেশে বণ্যা পরিস্থিতিতে নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সংকটের আশঙ্কা ও ঈদে যাতে উর্ধ্বগতি না হয় সেকারণে সরকার পিয়াজ
আমদানির অনুমতি দিয়েছে বলে জানিছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক( ট্রাফিক প্রশাসন) আব্দুল জলিল জানান, দুই মাস পরে আবারো পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। আমদানিকারকরা বন্দর থেকে যাতে দ্রুত খালাস নিতে পারে সেজন্য ২৪ ঘন্টা বন্দর খোলা রাখা হয়েছে।

আমদানি কারক গাজী শামিম উদ্দীন জানান, সরকার ইমপোর্ট পারমিট দেওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। বেনাপোল বন্দর
থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৩৫ টাকায় বিক্রী করা হচ্ছে। আমদানি ও সরবরাহ বাড়লে দাম আরো কমে আসবে।

বেনাপোল বাজারের সাধারণ পেঁয়াজ ক্রেতা আব্দুল্লাহ জানান, গতকালকেও দেশি পেঁয়াজ ১ কেজি ৪৫ টাকায় কিনেছি।

আমদানির খবরে আজ কেজিতে ৫ টাকা কমে বিক্রী হচ্ছে ৪০ টাকায়। কিছুটা কম দামে পেয়ে উপকার হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।
বেনাপোল বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আব্দুল আলিম জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। আমদানি স্বাভাবিক হলে দাম আরো কমে যাবে। তবে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানিতে দেশি পেঁয়াজে তাদের লোকশানে পড়তে হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here