হীরেন পণ্ডিত

হীরেন পণ্ডিত:: ইন্টারনেট অফ থিংস বা ‘আইওটি‘ আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি – এসি, কফিমেকার, টেম্পারেচার কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেক্টিক লক, গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি ইত্যাদি সবই ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের মুঠো থেকে পৃথিবীর যেকোন জায়গায় বসে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অবশ্য আইওটি শুধু ঘরের মাঝেই এর ব্যাপ্তি নয়, আইওটির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হতে পারে যেকোন প্রতিষ্ঠান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি আইওটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় তবে আমাদের আগুন সংক্রান্ত দুর্ঘটনা ৯০ ভাগ পর্যন্ত এড়ানো সম্ভব হবে।

ইন্টারনেট অব থিংসে বিভিন্ন ডিভাইসের সেন্সর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কে থাকা বিভিন্ন ডিভাইসের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে ওয়্যার কমিউনিকেশন, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি, সিরিয়াল কমিউনিকেশন, সিরিয়াল পেরিফেরাল ইন্টারফেসসহ নানা মাধ্যম ব্যবহার করে লোকাল প্রসেসিং ডিভাইসে যেমন হতে পারে ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনে সে তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে, পরবর্তীতে বিভিন্ন কমিউনিকেশন প্রটোকল যেমন এইচটিটিপি যা ডাটা সেন্ট্রিক আর যা ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ইত্যাদি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ওয়েব সার্ভার কিংবা ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভারে পাঠানো হয়। সিস্টেমে ডাটাবেজে এ তথ্যসমূহ জমা থাকে।

ডাটা এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে বিভিন্ন সেন্সর থেকে পাওয়া বিভিন্ন সময়ের তথ্য প্রসেস করে এবং সিস্টেম থেকেই রেজাল্ট ফিল্টারিং করে কমান্ড তৈরি করা হয়। এতে একই সাথে ডিপেন্ডেন্ট অন্যান্য সিস্টেমকে পরিচালনা করা হয়। সমস্ত প্রক্রিয়াটি অনলাইন নির্ভর হওয়ায় যেকোন জায়গায় বসেই সিস্টেমে কমান্ড পাঠানোর মাধ্যমে ডিভাইস বা এনভায়রনমেন্ট নিয়ন্ত্রণ, স্ট্যাটাস ভিজুয়ালাইজ করা থেকে শুরু করে  চালু ও বন্ধ করা সবই করা যাবে এক কথায়।

ইন্টারনেট কানেক্টেড ডিভাইস বলতে আমরা এখনও বুঝি আমাদের পিসি, ল্যাপটপ, ট্যাব, স্মার্টফোন এসব। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এখন অন্যান্য অনেক কিছুই ইন্টারনেট সংযুক্ত হয়ে পড়ছে। এগুলোকেই বলা হচ্ছে স্মার্ট ডিভাইস। অবাক করার মতো হলেও টিভি, ফ্রিজ, গাড়ি, এমনকি দরজার তালাতেও ইন্টারনেট সংযুক্ত হচ্ছে। আইওটির ধারণায় সব যন্ত্রের একটি করে আইপি এড্রেস থাকছে। আইপিভি ৬ এই কাজটি করছে। ফলে, একই নেটওয়ার্কে থাকা বিভিন্ন ডিভাইস নিজেরাই নিজেদের মধ্য আন্তঃযোগাযোগ করতে পারছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বুদ্ধিমান যন্ত্র তৈরিতে মানুষের চেষ্টার কথা আমরা সবাই জানি। আইওটির গবেষণাও নতুন না তেমন। ১৯৮০ সালে একটি কুকি মেশিন উদ্ভাবন করা হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সে মেশিন নিজেই কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারতো যেমন মেশিনে পানীয় আছে কি না বা মেশিন ট্রিপ করবার প্রয়োজন কি না।  তবে ক্যাভিন এ্যাশটন প্রথম আইওটি শব্দটির প্রচলন করেন ১৯৯৯ সালে। আইওটির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি তাঁর ধারণা জানানোর পাশাপাশি এর বৃহৎ বাজার মূল্যের দিকেও আলোকপাত করেন।

বিজনেস ইন্টেলিজেন্স ঐ সময়ের মধ্যে আইওটির সক্ষমতার জন্য হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ম্যানেজমেন্ট, সার্ভিসসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে কোটি কোটি মার্কিন ডলারের নতুন বাজার তৈরি করছে আইওটি।  বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত প্রায় ইন্টারনেট সংযুক্ত দুই হাজার ১৭০ কোটি যন্ত্রের মধ্যে এ বছরে এক হাজার ১৭০ কোটি (৫৪ শতাংশ) যন্ত্র ইন্টারনেটে যুক্ত হয়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইওটি অ্যানালাইটিকসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন কিছুর আগমন মানেই তার দোষগুণ বিচারের পালা শুরু করা। আইওটির আশীর্বাদ হিসেবে বলা হচ্ছে, অনেক তথ্য যখন হাতের নাগালে আছে, তখন সবচেয়ে ভালো সিধান্ত নেয়া সহজ হচ্ছে। আবার অধিক সন্ন্যাসীতে গাঁজন নষ্টও হতে পারে।  প্রাতিষ্ঠানিক অটোমেশান নিশ্চিত করার কারণে খরচ কমছে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, পণ্যের মান বাড়ছে, কাজে গতিশীলতা আসছে। একই সাথে মানুষের যন্ত্রের উপর নির্ভরশীলতা তার সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা যেমন নষ্ট করছে, একইসাথে অনেকক্ষেত্রেই যন্ত্র মানুষের জায়গা দখল করছে। একই সাথে অনেকে যেমন কোন সুবিধা ভোগ করছে, তেমনি কোন কিছুর নিরাপত্তা বা গোপনীয়তায়ও মারাত্মকভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। যা দিনশেষে সব সাফল্যকেই ভন্ডুল করে দিতে পারে। যদি একক কোন নিয়ন্ত্রণকারী না থাকে, তবে গতিশীলতায়ও এর বিরূপ প্রভাব দেখা যেতে পারে।

তবে প্রযুক্তির উৎকর্ষতা যেমন ঠেকিয়ে রাখা যাবে না তেমনি এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে ইন্টারনেট অফ থিংস বা আইওটি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়েই আসছে।

আইওটি’র যুগকে অনেকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উত্থান বলেও মনে করছেন। সাধারণত যেসব খাতে ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ইন্টারনেট অব থিংসের মাধ্যমে অনেকভাবেই ক্লাসের শিক্ষার পারফরম্যান্স উন্নত করা যায়। তার আগে দেখে নেয়া যায় যে এটি প্রয়োগের জন্য কি কি প্রয়োজন। ডাটা প্রসেস করার জন্য বেশ কয়েক ধরনের ডিভাইস প্রয়োজন। ক্লাসের ছবি এবং শব্দ রেকর্ড করা, নড়াচড়া চিহ্নিত করা এবং এই ডাটাগুলোকে তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখানোর প্রয়োজন হয়। শিক্ষার্থীদের নড়াচড়াকে বিশ্লেষণ করার জন্য অবশ্যই প্রয়োজন ক্যামেরা। বিভিন্ন ছবির মাঝে ক্ষুদ্র ফ্রেমের পার্থক্য থাকবে যার ফলে তা বিশ্লেষণ করে বোঝা যাবে যে কখন শিক্ষার্থীরা বেশি নড়াচড়া করছে। সাউন্ড সেন্সরের মাধ্যমে ক্লাসের সাউন্ড লেভেলের তারতম্য বিশ্লেষণ করা যায়। সকল তথ্য যথাসময়ে শিক্ষকের কাছে পৌছাতে পারলে তবেই শিক্ষক সেই তথ্যের পূর্ণ সুবিধা নিতে পারবেন। আসল কাজ হলো শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপমুক্ত রাখা। স্কুল এমন একটি জায়গা যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে রয়েছে – এই ব্যাপার কারো মাথায় ঢুকে গেলে তার পক্ষে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আচরণ করা সম্ভব নয়। তাই শিক্ষার্থীদেরকে এই বিশ্লেষণের ব্যাপারে না জানানোই ভাল।

আপনি এমন একটি স্মার্ট হোমের কথা চিন্তা করুন যা আবহাওয়ার সাথে সাথে ঘরের পরিবেশ পাল্টাচ্ছে। অথবা আপনি ঘরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই চালু হয়ে গেল ঘরের লাইট। ভাবছেন কিভাবে? হতে পারে তা আপনার স্মার্ট ফোনের সাথে সংযুক্ত সিগন্যাল থেকে অথবা আপনার ফিঙ্গারটিপ কী লক থেকে। আজকের যুগে এ জাতীয় কোন কিছু কিন্তু কষ্ট কল্পনা নয়।

মনে করুন আপনি সেতু পার হবেন কিন্তু দিতে হবে না কোন টোল। অথবা সেতুর কোন জয়েন্টে দুর্বলতা দেখা দিচ্ছে। সাথে সাথেই ইঞ্জিনিয়ারের কাছে চলে গেল সিগন্যাল, আর যারা মেরামত করবে তারা পৌঁছে গেলো মেরামতিতে। খালি একবার ভাবুন নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনাজনিত ঝুঁকি কি পরিমাণ হ্রাস পাবে। আর সেটাই সম্ভব আইওটি দিয়ে।

আপনার প্রতিষ্ঠানে কি রকম পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, উৎপাদন ঘাটতি ঠিক কতটুকু? কিভাবে আপনি উৎপাদিত পণ্য নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাবেন। ঠিক কোথায় পণ্য যাচ্ছে, পরিবহনের অবস্থান কোথায়? ক্লায়েন্ট কোন জায়গা থেকে পণ্য ডেলিভারি নিবে। এই প্রতিটি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছাবে আপনার মুঠোফোনেও আপনার কম্পিউটারে এবং তা শুধু আপনি দেখতে নয় জানতেও পারবেন। সেটাও সম্ভব আইওটি দিয়ে।

আপনি ব্যবহার করবেন স্মার্ট ফোনে কৃষি মোবাইল অ্যাপস এবং ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে সংযুক্ত ওয়্যারলেস সেন্সরালে পরিবেশগত অবস্থার পরিবর্তন, যেমন – তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা, বাতাসের গতি, কীটপতঙ্গ উপসর্গ, আবাদি জমির শুষ্কতা বা পুষ্টির সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে।

ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত সেন্সর এবং অ্যাকচুয়েশন সিস্টেমের একত্রীকরণ দ্বারা আপনি প্রতিদিন ঠিক কতটুকু শক্তি খরচ করছেন তা জানা সম্ভব। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে আইওটি ডিভাইসগুলি সব ধরনের শক্তি প্রস্তুতকারক যন্ত্রের (স্যুইচ, পাওয়ার আউটলেট, বাল্ব, টেলিভিশন ইত্যাদি) মধ্যে সম্মিলিত হবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শক্তির ব্যবহারের কার্যকরী ভারসাম্য বজায় রাখবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক ও বিল আদায়কারী সংস্থা ইউটিলিটি সরবরাহ কোম্পানী, যেমনঃ ওয়াসা, ডেসা, ডেসকো, আরইবি সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হবে। এই ডিভাইসগুলি ক্লাউড-ভিত্তিক ইন্টারফেসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করবে যেন তারা দূরবর্তী অবস্থানে থেকেও ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক ডিভাইসগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে বা পরিচালনা করতে পারে এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যেন তা বন্ধ বা খোলা থাকে। যেমনঃ- দূরবর্তী অবস্থান থেকে চুলায় পানি গরম করা, ওভেন নিয়ন্ত্রণ করা, পানির কল বন্ধ করা ইত্যাদি।

আইওটি ডিভাইস এর মাধ্যমে পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা সম্ভব। সাধারণত বায়ু বা পানির গুণমান, বায়ুমন্ডলীয় বা মৃত্তিকার অবস্থার পর্যবেক্ষণ করে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত এলাকার অবস্থান ইত্যাদি নির্ণয়ে আইওটি ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থেকে আইওটি ডিভাইস, অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন যেগুলো ভূমিকম্প বা সুনামির পূর্বাভাস জানাতে সক্ষম তাদের থেকে তথ্য গ্রহণ করে ব্যবহারকারীকে সাবধান করতে পারে।

আপনি ব্যবহার করছেন স্মার্ট রিষ্ট ব্যান্ড। যা বলে দিচ্ছে আপনার পালস রেট, হার্টবিট, স্ট্রেস লেভেল, কত সময় হাঁটলেন, মাপছে আপনার ওজন। এসবই কিন্তু আইওটি ডিভাইস এর অবদান। আইওটি ডিভাইস দূরবর্তী অবস্থান থেকে স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং জরুরী নোটিশ সিস্টেম সক্রিয় করতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) এর প্রয়োগ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে আইওটি ল্যাবের বর্তমানে চলমান প্রজেক্টগুলো হলো- পানির অপচয় রোধে স্বয়ংক্রিয় ওয়াটার মিটার স্কিমিং সিস্টেম, জলযান সুরক্ষা ব্যবস্থা, ইন্টারনেট অব থিংস মেডিসিন সিস্টেম, গাড়ি ও মোটর বাইকের অ্যান্টি থেফ্ট সিস্টেম, স্মার্টসিটি ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেম, যানবহন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, নদী দূষণ নির্ণয়, গার্মেন্টস বা ফ্যাক্টরিতে আগুনলাগা রোধ করা, স্মার্ট গ্যাস ডিটেকশন সিস্টেম, স্মার্ট ল্যাম্পপোস্ট সিস্টেম ও স্মার্ট গার্বেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ইত্যাদিতে আইওটি ব্যবহারের প্রচেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আইওটি স্ট্র্যাটেজি তৈরি করেছে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন বিলিয়ন আইওটি শিল্প তৈরি করার কাজ হাতে নিয়েছে।  দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য আইওটিতে ১০০০০ দক্ষ কর্মী তৈরি করার জন্য কাজ করছে। আইওটি বিকাশের জন্য ২০২৩ সালের মধ্যে একটি জাতীয় আইওটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। ঘরে বসে আইওটি ব্যবহার করে স্থানীয় সমস্যার সমাধানের জন্য ২০২৫ সালের মধ্যে ১০০ আইওটি ভিত্তিক স্টারটআপস তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে আইওটি এবং ইলেকট্রনিক্স ভিত্তিক স্টারটআপগুলির জন্য একটি ভেনচার ক্যাপিটাল ফান্ড তৈরি করবে।  কৃষিক্ষেত্র, স্বাস্থ্য, এবং ক্ষেত্রগুলিতে আইওটি পণ্যগুলির বিকাশ, ইনকিউবেট এবং অর্থায়ন, পানি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবহন, সুরক্ষা, অটোমোবাইল, সরবরাহের চেইন, স্মার্ট শহরগুলি, ইউটিলিটিগুলির স্বয়ংক্রিয় মিটারিং এবং পর্যবেক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, তেল এবং গ্যাস, দেশীয় বাজারের প্রয়োজনের আলোকে।

তবে আইওটি ডিভাইস ব্যাবহারের নিরাপত্তা নিয়ে আজ পর্যন্ত অনেক গবেষক শঙ্কিত। আর শঙ্কার কারণ ও ঘটেছে। সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন অ্যাপস কে হ্যাক করে নানা সমস্যা করছে। তাই এখনও নিরাপত্তার ব্যাপার নিয়ে ভাবার অনেক সুযোগ রয়েছে।

 

 

 

 

লেখক: রিসার্চ ফেলো, ইন্টারনেট অফ থিংস, বিএনএনআরসি

 

 

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here