বাজেটে মাতৃত্বকালীন ভাতা

বাজেটে মাতৃত্বকালীন ভাতা

মুশফিকুল হক মুকিত :: দৈনিক যুগান্তরের কার্যালয়ে কনফারেন্স কক্ষে শুক্রবার ‘সুরঞ্জনা’ বিভাগ আয়োজিত ‘বাজেটে মাতৃত্বকালীন ভাতা’ শীর্ষক সুরঞ্জনা আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সুরঞ্জনা আড্ডায় অংশ নিয়েছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, মহিলাবিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বদরুন নেছা, ডরপের প্রতিষ্ঠাতা ও গুসি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এএইচএম নোমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো নাজনীন আহমেদ, দৈনিক যুগান্তরের ফিচার সম্পাদক রফিকুল হক দাদুভাই, সম্পাদকীয় বিভাগের সহকারী সম্পাদক মাহবুব কামাল, ডরপের মিডিয়া ম্যানেজার আ.হ.ম ফয়সল। সঞ্চালনায় সুরঞ্জনার বিভাগীয় সম্পাদক রীতা ভৌমিক । সহযোগিতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডরপ। আলোচকদের কথা তুলে ধরহলো:

মা ও শিশুর পুষ্টি ও মেধা বিকাশের সহায়ক প্রশিক্ষণ নেয়া প্রয়োজন

মেহের আফরোজ চুমকি

সভাপতি, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি

আমাদের দেশে মূল্যবান সম্পদ হল শিশু। ০-৫ বছর বয়সে শিশুর যেভাবে বিকাশ ঘটে অন্য যে কোনো বয়সে এমন বিকাশ ঘটে না। তাই এ বয়সে মা ও শিশুর দু’জনের পুষ্টি ও মেধা বিকাশের সহায়ক প্রশিক্ষণ নেয়া প্রয়োজন। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক বৈষম্যতা দূর করার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় জোর দেয়া হয়। বর্তমান সরকার অজ্ঞতা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আগে যে দারিদ্র্য ৪০ শতাংশ ছিল তা ধাপে ধাপে কমিয়ে ২০.১ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। মূলত মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে। অবশ্য তখন এ ভাতার পরিমাণ কম ছিল। বর্তমানে তা ৮০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বর্তমানে দুই লাখ পঁচাত্তর হাজার ল্যাকটেটিং মায়েদের ভাতা দেয়া হচ্ছে। এর সংখ্যা অনেক বেশি। সন্তানসম্ভবা মায়েদের আইসিভিজিডি প্রকল্পের আওয়তায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল ও প্রতি পরিবারকে ১৫ হাজার টাকা প্রদান করা হবে।

 

মায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে পরিবারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে

সাইফুল আলম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর ও সভাপতি, জাতীয় প্রেস ক্লাব

বর্তমান সরকার গণবান্ধব সরকার। সরকার সামাজিক নিরাপত্তার যে কাজগুলো করেছে তার মধ্যে বৈপ্লবিক অবস্থান তৈরি করেছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দরিদ্র মায়েদের মাতৃত্বকালীন ভাতা চালু, বৃদ্ধি ও প্রসারিত করার মধ্য দিয়ে। আমাদের বাজেট সীমিত। এই সীমিত সম্পদের ভেতরেও মাতৃত্বকালীন ভাতা ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় উন্নীত করে এর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন গত বিশ বছরে বেড়েছে। মায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে পরিবারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাই মায়েদের প্রতি আরও বেশি যত্নবান হতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে সোচ্চার হতে হবে ।

বিধবা ভাতা, বয়স্কভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা অর্থাৎ পিছিয়ে পড়া অবহেলিত, উপার্জন নেই এমন ব্যক্তি বিশেষকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনার প্রয়াস বর্তমান সরকার নিয়েছে। যেমন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে আরও বেগবান ও বলিষ্ঠ করা। আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যমূলক সমাজ বিনির্মাণে। সে জায়গায় ক্রমান্বয়ে আমরা দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রকৃত অর্থে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে গণমানুষের রাষ্ট্রে আমরাই পরিণত করব। যে জায়গায় পৌঁছতে হলে আমাদের সামাজিক আবেগের জায়গাকে ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে। ইতিমধ্যে মায়েদের নাম সর্বত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০ বছর আগে থেকে বর্তমানে অনেক প্রসার ঘটেছে। ভবিষ্যতে আরও প্রসার ঘটাতে হবে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো না হলে সন্তানের সুস্বাস্থ্য আশা করা যায় না। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যুগান্তর সব সময় এগিয়ে আসে। ভালো কাজের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত রাখে। পাঠকের কাছে সংবাদ পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি পাঠকের পাশে দাঁড়ায় যুগান্তর। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহীসোপানে উন্নীত হয়েছে। তাই মনে রাখতে হবে নারীর উন্নয়নে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বড় কথা।

 

আমাদের সরকার নারীবান্ধব সরকার নারীদের জন্য অনেক কাজ করছে

বদরুন নেছা

মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)

আমাদের সরকার নারীবান্ধব সরকার। নারীদের জন্য অনেক কাজ করছে। কারণ একটি সমাজে সামাজিক দায়বদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মিডিয়ায় ইতিবাচক খবর যত প্রচার হবে তত বেশি ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭ লাখ দরিদ্র গর্ভবতীর জন্য ৬৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা বেড়ে ৭ লাখ ৭০ হাজার দরিদ্র গর্ভবতীর জন্য ৭৩৯ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। প্রশিক্ষণের বিষয় নির্বাচন করে মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত এই দরিদ্র মায়েদের স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ মডিউলে সেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে দেয়া হয়। বর্তমানে ০-৪ বছর পর্যন্ত ল্যাকটেটিং মায়ের ভাতা দেয়া হচ্ছে। তবে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড বেনিফিটের’ একটা প্রোগ্রাম দ্রুত শুরু করব যাতে মা ও শিশু দু’জনই উপকৃত হয়।

 

এনএসএসকে কীভাবে বেগবান করা যায় সেদিকেও গভীর মনোযোগী হতে হবে

সায়মা হক বিদিশা

অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বেশ পরিবর্তন এসেছে। তার মধ্যে মাতৃত্বকালীন ভাতা গুরুত্ব পেয়েছে। সরকারের অন্যতম ইতিবাচক দিক হল এমআইএস ও ব্যক্তির মধ্যকার দূরত্ব দূর করা। এই এমআইএস ডাটাবেজের মাধ্যমে পুরো দেশ সামাজিক নিরাপত্তার বলয়ে চলে আসবে। সামাজিক নিরাপত্তার অনেক সূচক নিয়ে কাজ করার চেয়ে মৌলিক কিছু সূচকে কাজ করলে টার্গেট, ইমপ্লিমেন্ট ও মনিটরিং করা বেশ সুবিধাজনক হবে। এনএসএসকে কীভাবে বেগবান করা যায় সেদিকেও গভীর মনোযোগী হতে হবে। আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। যা জেন্ডার, স্বাস্থ্য এবং আরও চার-পাঁচটা ইনডিকেটরের সঙ্গে সম্পর্কিত। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নারীকে এমন মৌলিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে যাতে করে পরবর্তী ৬ মাসে সে নিজেই নিজের দায়িত্ব নিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে।

 

মাতৃত্বকালীন ভাতা ও এর আওতা বৃদ্ধি তেমনি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ

রফিকুল হক দাদুভাই

ফিচার সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর

শূন্য থেকে শুরু করে আমাদের প্রাপ্তি অনেক। নারী ও শিশুর কল্যাণে বাংলাদেশে অনেক কাজ হচ্ছে। মাতৃত্বকালীন ভাতা ও এর আওতা বৃদ্ধি তেমনি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। যেহেতু শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ এবং একজন সুস্থ ও আদর্শ মা-ই পারেন আগামী দিনের একজন সম্ভাবনাময় মানুষ উপহার দিতে, সে কারণে জাতীয় বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি করা উচিত। মাতৃত্বকালীন ভাতা যাতে উপযুক্ত মায়েরা সঠিকভাবে পেতে পারেন এবং এ ভাতার সুবিধাভোগী নির্বাচনে যাতে কোনোরকম স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতি না হয় সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

 

দারিদ্র্যের উৎস নির্মূলের দিকে নজর না দিলে দারিদ্র্য বিমোচন হবে না

এএইচএম নোমান

ডরপের প্রতিষ্ঠাতা ও গুসি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বিজয়ী

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটে দারিদ্র্য মায়েদের জন্য ‘মাতৃত্বকালীন ভাতা’ ভোগীর সংখ্যা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ লাখ ৭০ হাজার জনে উন্নীত করায় সরকারকে অভিনন্দন। মাতৃত্বকালীন ভাতা’র গুণগত মান ধরে রাখতে তথ্যভান্ডার সৃষ্টিসহ সংখ্যা না বাড়িয়ে মেয়াদকাল ৩ বছরের স্থলে শিশুর স্কুল ভর্তি পর্যন্ত ৫ বছর করা ও ভাতার পরিমাণ ৮শ টাকার স্থলে ন্যূনতম গার্মেন্টস শ্রম মজুরির সমমান ৮ হাজার টাকা প্রদানের দাবি করছি। দারিদ্র্যের উৎস নির্মূলের দিকে নজর না দিলে দারিদ্র্য বিমোচন হবে না। দারিদ্র্য বিমোচন তথা- উন্নয়ন তলরেখা হলো মা। মা হলো এসডিজি’র একের ভেতর সতের। ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ সাম্যতা ও ন্যায্যতার শোষণহীন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রতিফলন। ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজন শুধু ‘এক মা এক লাখ টাকা’ বাজেট বরাদ্দ। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দারিদ্র্য বিমোচনে মুজিবনগর-টুঙ্গীপাড়া-চাটখিল-কালিগঞ্জ-রামগতি-দৌলতখানসহ ১০ উপজেলায় পাইলট আকারে বাস্তবায়িত ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ কার্যক্রম ন্যূনতম ১শ উপজেলায় বাস্তবায়ন প্রকল্পটি মন্ত্রণালয়ে ধীর গতিতে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এত করে সম্পদ বৈষম্য সংকোচিত হবে। দারিদ্র্য বিমোচনে ‘স্বপ্ন প্যাকেজ’ মডেল শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বেও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

 

দরিদ্র মায়েরা সরাসরি টাকা পাচ্ছেন কিনা এটা যাচাই করে দেখা দরকার

নাজনীন আহমেদ

সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, বিআইডিএস

দরিদ্র মায়েরা সরাসরি টাকা পাচ্ছেন কিনা এটা যাচাই করে দেখা দরকার। নইলে বিকাশের মাধ্যমে মায়েদের কাছে এ টাকা পৌঁছানোর উদ্যোগ দিতে হবে। পাশাপাশি এও দেখতে হবে, যারা মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছেন তারা নিজের ইচ্ছামতো সেই অর্থ ব্যবহার করতে পারছেন কিনা! বিআইডিএস ৮০০ মাতৃত্বকালীন ভাতাপ্রাপ্ত মায়েদের ওপর জরিপ চালায়। এতে দেখা গেছে, মাতৃত্বকালীন ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় নিতে হয়নি। সন্তান জন্মদানের পূর্ববতী ও পরবর্তী স্বাস্থ্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরও বেশি যত্নবান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ ছাড়া কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে নারীদের সাবলম্বী করে গড়ে তোলা।

বলা হয়ে থাকে, যদি জিডিপির ৪ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তার খাতে যায় তাহলে তা ভালো অবস্থায় থাকে। সে অবস্থায় আমরা বাজেটের ২ শতাংশ থেকে ২.৫ শতাংশ এ খাতে বরাদ্দ রাখি। এ বরাদ্দের ৩৬ শতাংশ চলে যায় পেনশন খাতে। গত বছর ৭ লাখ মায়ের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মাতৃত্বকালীন ভাতা পৌঁছে দেয়া হয়। তবে এ ক্ষেত্রে সজাগ থাকতে হবে মায়ের নামে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউণ্টের টাকাটা স্বাধীনভাবে খরচ করতে পারছেন কিনা। বর্তমান সরকার চেষ্টা করছে উন্নয়নকে মানবিক করা। গরিব মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল ছড়িয়ে দেয়া। এতে করে ধনী দরিদ্রদের পার্থক্য কমবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, নারীর সুস্বাস্থ্যের জন্য শারীরিক ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

নারীকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে দেখতে হবে

মাহবুব কামাল

সহকারী সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর

নারীকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে দেখতে হবে। একজন ভালো মা হওয়া কঠিন, কারণ তার স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত না হলে বেড়ে ওঠা কঠিন। মাতৃত্বকালীন ভাতা ৩ বছর থেকে ৫ বছর করার জোর দাবি তুলে ধরতে হবে। সেই সঙ্গে মাতৃত্বকালীন ভাতা অন্তত পাঁচ হাজার টাকা করতে হবে।

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

গ্রেনেড হামলার আপিল শুনানি এ বছরেই শুরু হবে: আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার  :: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ...