বাংলা ভাইয়েরা ছিলেন জিয়াউর রহমানের প্রেতাত্মা- স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

হবিগঞ্জে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বলেছেন, জঙ্গি নেতা শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাইয়েরা ছিলেন জিয়াউর রহমান প্রেতাত্মা। এজন্য তারা দেশে জঙ্গি কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরপরাধ লোকজনকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করতে চেয়েছিল।  তিনি বুধবার বেলা পৌণে ৩ টার দিকে হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙ্গালীকে একটি প্রশিক্ষিত জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করতে চেয়েছিলেন। কিন’ এদেশের মানবতাবিরোধী অপরাধী ও আনর্ত্মজাতিক চক্রানেত্মর জন্য তিনি তা সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ৩০ বছরের জঞ্জাল দুর করা দ্রম্নত সম্ভব নয়। তাই ধীরগতিতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাসত্মবায়ন করতে হবে। এজন্য আওয়ামী লীগ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করছে।
শামসুল হক টুকু বলেন আরও বলেন- চারদলীয় জোট সরকারের আমলে দেশকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করতে হাওয়া ভবনের নেতৃত্বে ১০ ট্রাক অস্ত্র আমদানি করা হয়েছিল। এদেশের নিরীহ নিরপরাধ মানুষকে বোমা হামলার মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছিল।
জননেত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। এসব হত্যাকান্ডের বিচার আইনি প্রক্রিয়ার ম্যাধমে সম্পন্ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার কামরম্নল আমীন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির, অ্যাডিশনাল আইজি (সিআইডি) মোখলেসুর রহমান, হেড অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট টিম (ডিএফআইডি) ড্যানিয়েল ডেভিস, সিলেট বিভাগের কমিশনার এন এম জিয়াউল আলম, সিলেটের পুলিশ কমিশনার অমূল্য ভূষণ বড়-য়া, সিলেটের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূইয়া, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান।
বক্তব্য দেন, হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট আলমগীর চৌধুরী, বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী, বাহুবল উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নজমুল হোসেন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, পুলিশ রি-ফর্ম প্রোগ্রামের কনসালটেন্ট হেনরি ডেনরি।
উলেস্নখ্য পুলিশ রিফর্ম প্রোগ্রাামের আওতায় ৫ কোটি ২৬ লাখ ৫১ হাজার ৬শ’ ৯৪ টাকা ব্যয়ে মডেল থানা নির্মাণ বাসত্মবায়ন করে এলজিইডি। ২০০৮ সালের ২৫ জুন কাজ শুরম্ন হয় এবং শেষ হয় ২০১১ এর ৮ জুন।
তিন তলা বিশিষ্ট মূল ভবনে ১১ হাজার ৫শ’ ৩০ বর্গফুট ফুট স্পেস রয়েছে। এ ছাড়া এএসপি এবং ওসি’র ১ হাজার ৩শ’ বর্গফুট স্পেস, এসআই এবং এএসআই এর ১ হাজার বর্গফুট স্পেস কোয়ার্টার, ৮শ বর্গফুটের কনস্টেবল কোয়ার্টার এবং ২ হাজার বর্গফুট স্পেসবিশিষ্ট ডাইনিং বিল্ডিং রয়েছে।
পুলিশ রিফর্ম প্রোগ্রামের আওতায় সারাদেশে অনুরূপ ৬টি মডেল থানা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডট কম/এম এ আর শায়েল/হবিগঞ্জ

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠাতে চায় পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার :: খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করাতে চায় তার পরিবারের ...