নিয়ম রক্ষার তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে জিততে স্বাগতিক বাংলাদেশের প্রয়োজন ১৭৮ রান। লাকি গ্রাউন্ড খ্যাত চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া পাকিস্তান ৪৬ দশমিক এক বলে ১৭৭ রান করলে এ লক্ষ্য দাঁড়ায়।

পাকিস্তান বাংলাদেশের ঘূর্ণিজাদুতে বিধ্বস্ত হয়। শফিউলের একটি ছাড়া বাকি ৯ উইকেটই নিয়েছেন স্পিনাররা। মাত্র চার রান খরচায় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং ২১ রান খরচায় আব্দুর রাজ্জাক ৩টি করে উইকেট দখল করেন। এছাড়া ইলিয়াস সানি দুটি ও সাকিব আল হাসান একটি উইকেট পান।

পাকিস্তানের পক্ষে ওমর আকমল সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন। এছাড়া অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক ৪৭ ও ইউনিস খান ২৬ রান করে করেন।

লাকি গ্রাউন্ড খ্যাত চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরুতেই ব্রেক থ্রু পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। শূন্য রানে মোহাম্মদ হাফিজকে সাজঘরে পাঠান শফিউল ইসলাম।

শফিউলের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে হাফিজ কাভারে ফরহাদ রেজাকে সহজ ক্যাচ দেন। এরপর দলীয় ৩৭ রানে আসাদ শফিককে (৭) বোল্ড করেন সাকিব আল হাসান।

আর দলীয় ৩৯ রানে ইউনিস খান আব্দুর রাজ্জাকের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে সফরকারীরা। ৩ চারে ইউনিস খান সংগ্রহ করেন ২৬ রান।

সেখান থেকে অধিনায়ক মিসবাহ-উল হক ওমর আকমলকে সাথে নিয়ে দলের হাল ধরেন। এই জুটিতে আসে মূল্যবান ৯৪ রান। এরপরই এক বল ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে বাংলাদেশকে আবারো খেলায় ফেরান রাজ্জাক। দলীয় ১৩৩ রানে মিসবাহকে (৪৭) নাসিরের তালুবন্দি করার এক বল পরেই নিজের বলে ফিরতি ক্যাচ নেন শোয়েব মালিকের।

এরপর দলীয় ১৪৮ রানে ইলিয়াস সানি শহীদ আফ্রিদিকে (৯) ফেরান নাসিরের তালুবন্দি করে। আর সানির বলেই ১৬২ রানে ওমর আকমলকে স্ট্যাম্পিং করেন মুশফিকুর রহিম। আকমল নিজের অর্ধশতক তুলে নেন। ৮৪ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে তিনি ৩টি চার ও দুটি ছক্কা হাকান।

আর দলীয় ১৭২ রানে সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ পরপর দুই বলে সোহেল তানভীর ও উমর গুলকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন। সাঈদ আজমলে দৃঢ়তায় তা হয়ে ওঠেনি। তবে দলীয় ১৭৭ রানে রিয়াদই আব্দুর রেহমানকে এলবিডব্লিউ করলে পাকিস্তান ওই রানেই গুটিয়ে যায়।

প্রথম দুই ম্যাচের জয়ে পাকিস্তান ইতিমধ্যে সিরিজ জিতে নিয়েছে।

ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডট কম/স্পোর্টস রিপোর্ট

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here