ব্রেকিং নিউজ

বন্ধুর জন্য আকুতি,বন্ধুর জন্য ভালবাসা।

আমরা যখন ছোট, যখন অষ্টম বা নবম শ্রেণীতে পড়ি, তখন কি করতাম আমরা? এটা মনে করার জন্যে খুব বেশি কষ্ট করতে হবেনা আমাদের। সবাই ই হয়তো সকালে মা বাবার বকুনি খেয়ে স্কুলে যেতাম!

সেখানে স্যারদের প্যাদানি খেতাম। তারপর বিকেলে স্কুল ফেরত হয়ে বন্ধুদের সাথে মাঠে ক্রিকেট খেলা! শরীরের ঘাম বেচা মিষ্টি গন্ধে প্রকৃতিত মাঝে!

বাসায় ফিরে যাওয়া কাদা মাটি ল্যাপ্টানো কাপড়ে। পড়ার নামে মিথ্যে অভিনয়ে সন্ধ্যা পার করে বিটিভির সামনে বসা! সিন্দাবাদ, রবিন হুড, এক্সফাইল, হারকিউলিস দেখা।

যেনো এক নিশ্চিন্ত জীবন। জেমস তেমন ছিলোনা! জেমস ছিলো সংগ্রামী পরিবারের ছেলে। বাবা ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। হয়তো কঠোর অনুশাসনেই বড় হওয়া তার।

এক ভাই আর তিন বোন নিয়ে সেই পরিবারে সে ছিল এক নক্ষত্র তার এলাকার জন্য! আলাদা করে সবাই তাকে জানতো! চিনতো! কারণ তার চিন্তা, মনন বেশি কাজ করতো গবেষণায়।

জাতীয় শিশু পরিষ্কার প্রতিযোগীতায় ২০০১ সালে যশোর অঞ্চল থেকে বৈজ্ঞানিক যন্ত্র আবিস্কারে ২য় অবস্থান অর্জন করে! আপনি আমি তখন হয়তো শচিন টেন্ডুলকার বা ওয়াসিম আকরাম নিয়ে ভাবছিলাম!

২০০২ সালে আবিস্কার করে থান্ডার সেল, তখন সে এস এস সি পরিক্ষা দিলো কেবল! থান্ডার সেল দিয়ে কি হয় জানেন? আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে সেই বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করা যায় এই থান্ডার সেল দিয়ে! একই সাথে আবিস্কার করে ম্যানিউর মেজারিং!

কি মেজার করে এই মেশিন দিয়ে জানেন? ধানি জমিতে কত টুকু সার আছে আর কত টুকু সার যোগান দেয়া লাগবে, এর পরিমান এই ম্যানিউর মেজারিং দিবে আপনাকে!

তারপর এক রাতে কিছু হারামী তার ঘরে হানা দিলো। তাকে আহত করে ছিনতাই করে নিয়ে নিলো তার সকল আবিস্কার! বন্ধ হয়ে গেলো দুটি সম্ভাবনা! হুমকি দেয়া হলো, বন্ধ করতে তার সব গবেষণা!

কথিত আছে জেমস এর চারপাশে ছিল নানা প্রতিবন্ধকতা! তাই মেধাবী হওয়া পরেও সুযোগ নিতে পারেনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ গুলোতে বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স মাস্টার্স করতে।

তবে পড়েছেন……. সেই জেমস এখন শয্যাশায়ী! জানেন কি রোগ হয়েছে তার? জেমস্ এর রোগের নাম AVM( arteriovenous malformation)।

এটা ব্রেইনের একটা অসুখ, যেখানে আলাদা কিছু শিরা তৈরি হয়েছে। খুব কম সংখ্যক লোক, এই রোগের শিকার হয়েছেন! তার জীবন এখন সংকটাপন্ন!

কিন্ত এমন একটা মেধাবী ছেলে কে কিভাবে আমরা সংকটে যেতে দিবো? আমরা কি এগিয়ে আসতে পারি না? আমাদের একটু উপহার হয়তো তাকে একটা নতুন জীবন দিবে!

সেই নতুন জীবন যে আমাদের সামনের জীবন গুলো কে নতুন এক আনন্দ দিবে না! তা কে বলতে পারে? আসুন আমরা এক মেধার পাশে দাড়াই, জেমসের পাশে দাড়াই।

এটা কোন সাহায্য নয়, এটা বন্ধুর জন্য ভালবাসা, বন্ধুর জন্য আকুতি….

জেমস্ এর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার:

Md. Abdullah Al Faruque A/c: 251.157.000.0090

Dutch bangla bank, chuadanga

Rocket: 017229301772

 

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

প্রেমের অপরাধে আড়াই বছর ধরে বন্দি !

প্রেমের অপরাধে আড়াই বছর ধরে বন্দি !

গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: তালাবদ্ধ ঘরে মেধাবী শিক্ষার্থী দুই বছর ...