প্রত্যাশার রঙিন ফানুস উড়াতে চাইনা। কাজ করে দেখাতে চাই। যোগ্যতা প্রমানে কাজের কোন বিকল্প নেই। সময় কম কাজ বেশী তাই চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। আমি আরাম করতে এবং পকেট ভারী করতে চেয়ারে বসিনি। উন্নয়ন করতে এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি পূরণ করতে আমাকে এ চেয়ারে বসানো হয়েছে। আমি কোন দলের মন্ত্রী নই। আমি জনগণের মন্ত্রী। আমি দেশের মন্ত্রী। কথা গুলো বলেছেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি গতকাল রাত ৯টায় কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট সরকারী মুজিব কলেজ মাঠে সর্বস্তুরের নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এ কথাগুলো বলেন।

তিনি বলেন, বড় বড় কথা বলে শুধু সময় পার করতে চাইনা। ওবায়দুল কাদের বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রম্নতি পূরন করতে যা যা করার দরকার আমি সবটুকু করতে চাই। ওবায়দুল কাদের বলেন, অতি কথন খারাপ। আমাদেরকে কথা বলতে হবে কম। কিন্তু কাজ করতে হবে বেশী। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাকে এখন ফুল দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করবেন না। কারন আমি ব্যর্থ হলে এ ফুলের সুরভী নষ্ট হয়ে যাবে। কাজ করে আপনাদের মন যোগাতে পারলে তখন ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দিবেন। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বলেন, আপনারা জনগণের পাশে থাকুন। জনগণ খুশি হলে আমি খুশি হব।

মন্ত্রী বলেন, আমাকে অল্প সময়ের মধ্যে কজ করতে হবে বেশী। কারন জনগণের প্রত্যাশা বেশী। তাই আমার চ্যালেঞ্জ বেশী। ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা  আশাহত হবেন না। নিশ্চয়তা দিচ্ছি আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শাহাব উদ্দিন, বসুরহাট পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ইস্কান্দার হায়দার চৌধুরী বাবুলসহ জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরম্নতে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নিতে চাইলে তিনি কোন ফুলের তোড়া গ্রহন করেননি।

ইউনাইটেডনিউজ ২৪ ডট কম/হাসান ইমাম/নোয়াখালী)

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here