ব্রেকিং নিউজ

পঁচিশ জন গল্পকারের দ্বি-ভাষিক গল্প সংকলন ‘জলের গল্প’

স্টাফ রিপোর্টার :: বেসরকারি সংস্থা ডর্‌প ও অঙ্কুর প্রকাশনী হতে প্রকাশিত ‘জলের গল্প’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান রবিবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জলের সংকট, নদী ভাঙন ও দূষণ, আর্সেনিক, লবণাক্ততা, বন্যা আর জলের নানা দিক নিয়ে পঁচিশ জন গল্পকারের দ্বি-ভাষিক গল্প সংকলন এই গ্রন্থ। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন কথাসাহিত্যিক নূর কামরুন নাহার।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জলের সমস্যা রাজনৈতিক সমস্যা। বলা হচ্ছে, যদি আবার বিশ্বযুদ্ধ হয় তাহলে জলের জন্যই হবে। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। আমি খুব আনন্দিত এই অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে। বইটির গুরুত্ব আরো বেড়ে গেছে, কারণ এতে প্রত্যেকটি গল্পের ইংরেজি অনুবাদ রয়েছে। আমাদের সাহিত্য বিশ্বমানের। অনুবাদের অভাবে তা বিশ্বের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। আমি সাধুবাদ জানাই বইটির অনুবাদক ও সম্পাদককে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পিকেএসএফ -এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, জলের সাথে জীবন সম্পর্কিত। মাঠ পর্যায়ে দেখেছি জলের জন্য কি যুদ্ধ। জল নিয়ে গল্পের বই সত্যি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। দ্বিভাষিক এই বইটি মূলত সূচনা করলো জলের ভাবনা। আগামীতে নিশ্চয়ই এই উদ্যোগ আরো বিস্তৃত হবে এবং আমাদের ভাবনাকে অনেকদূর নিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কবি নূরুল হুদা বলেন, এটি খুব ভালো উদ্যোগ। অনুবাদ হওয়া খুব প্রয়োজন তবে অনুবাদের ব্যাপারে আমাদের আরো সর্তক হতে হবে। অনুবাদের কাজে নেটিভকে সংযুক্ত করতে হবে তবেই বিশ্বমানের অনুবাদ সম্ভব।

প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশ -এর দেশীয় প্রতিনিধি হাসিন জাহান বলেন, আমরা যে পোশাক পড়ছি তার পেছনেও যে কতটা জলের প্রয়োজন তা কি কখনও ভেবেছি। আমরা যদি এভাবে ভাবতে পারতাম তাহলে জলের অপচয় করতে পারতাম না।
কথাসাহিত্যিক ঝর্না রহমান বলেন, জলের ওপর এই গ্রন’ খুবই ব্যতিক্রমী একটা উদ্যোগ। আমার ভালো লাগছে এই বইটির পঁচিশ জনের আমিও একজন।

সম্পাদক নূর কামরুন নাহার বলেন, জল খুব বড় একটি বিষয়। আমরা খুব সামান্যই তুলে ধরতে পেরেছি। আমরা চেষ্টা করছি। পাঠকরা বইটি গ্রহণ করলেই আমরা সার্থক হবো।

সভাপতির বক্তব্যে ডর্‌প এর প্রতিষ্ঠাতা এএইচএম নোমান বলেন, আমরা নন কানেকটেড পিপিলকে কানেক্ট করতে চাই। তাই আমরা লেখকদের যুক্ত করেছি জল নিয়ে আমাদের কার্যক্রমের সাথে।

ইংরেজি ভাষ্যের সম্পাদক ইলাহী দাদ খান বলেন, আমাদের ভালো কাজগুলো আর্ন্তজাতিক মানের করে অনুবাদ করা প্রয়োজন। তাহলে এ দেশের সাহিত্য বিশ্বের কাছে পৌঁছাবে।

স্বাগত বক্তব্যে কথাসাহিত্যিক রোকেয়া ইসলাম বলেন, মানুষের জলের কষ্ট দেখেই এরকম একটি বই করার কথা নূর কামরুন নাহারের সাথে আলোচনা করি। আজ বইটি সেই ভাবনার বাস্তব রুপ পেল।

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কেশবপুরে বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

জাহিদ আবেদীন বাবু, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি :: জাতীয়  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর আয়োজিত ...