ব্রেকিং নিউজ

নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগরেরা

নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা  কলিট তালুকদার, পাবনা প্রতিনিধি :: পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ফরিদপুরের চলনবিল অংশে বর্ষার পানি এসে ভরে যাচ্ছে। গ্রামের মেঠো পথগুলোও তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে। বিলপাড়ের মানুষের চলাচলের জন্য ডিঙি নৌকার কদর এখন সবচেয়ে বেশী। তাই বসে নেই ডিঙ্গি নৌকা তৈরীর কাজে নিয়োজিত ব্যবসায়ী ও মিস্ত্রিরা। তাইতো এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে তারা। আর এই ডিঙি নৌকাকে ঘিরে চলনবিলের বিভিন্ন হাটে গড়ে উঠেছে ডিঙ্গি নৌকা বিক্রির হাট।  চাটমোহরের মির্জাপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গায় বসেছে নৌকা বিক্রির হাট। পাশাপাশি প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি কারখানায় চলছে নৌকা তৈরীর কাজ। আশ পাশের উপজেলা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা  এসেছেন নৌকা কিনতে ও বিক্রি করতে। চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া গ্রাম থেকে নৌকা কিনতে আসা হোসেন আলী জানান, এ বছর বর্ষার শুরুতেই যে ভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তাতে বিগত বছরের চেয়ে এবার চলনবিলে পানি বেশী। নিচু এলাকার সড়কগুলো পানিতে ডুবে গেছে। এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে ডিঙ্গি নৌকার প্রয়োজন।  অপর এক ক্রেতা মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্ষাকালে হাতে কাজ থাকেনা। তাই ডিঙ্গি নৌকা কিনে মাছ ধরে বাড়তি আয় করতেই হাটে এসেছি  ডিঙ্গি নৌকা কিনতে। প্রতিটি ডিঙি নৌকা দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।  নৌকা ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানালেন, গত কয়েক বছর নৌকা ব্যবসা মন্দা গেছে। এবার বিলে পানি থাকায় নৌকার চাহিদা বাড়ছে। দিনরাত কাজ করেও নৌকা তৈরীর কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। কাঠমিস্ত্রিদের মজুরী ও কাঠের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর নৌকার দাম বেড়েছে।  কাঠমিস্ত্রি আলী হাছান জানান, প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকার জন্য ৩’শ টাকা মজুরী পান। দিনে ২টি করে ডিঙি নৌকা তৈরী করা যায়। কলিট তালুকদার, পাবনা প্রতিনিধি :: পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ফরিদপুরের চলনবিল অংশে বর্ষার পানি এসে ভরে যাচ্ছে। গ্রামের মেঠো পথগুলোও তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে। বিলপাড়ের মানুষের চলাচলের জন্য ডিঙি নৌকার কদর এখন সবচেয়ে বেশী। তাই বসে নেই ডিঙ্গি নৌকা তৈরীর কাজে নিয়োজিত ব্যবসায়ী ও মিস্ত্রিরা। তাইতো এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে তারা। আর এই ডিঙি নৌকাকে ঘিরে চলনবিলের বিভিন্ন হাটে গড়ে উঠেছে ডিঙ্গি নৌকা বিক্রির হাট।

চাটমোহরের মির্জাপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন জায়গায় বসেছে নৌকা বিক্রির হাট। পাশাপাশি প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি কারখানায় চলছে নৌকা তৈরীর কাজ। আশ পাশের উপজেলা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা এসেছেন নৌকা কিনতে ও বিক্রি করতে।

চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া গ্রাম থেকে নৌকা কিনতে আসা হোসেন আলী জানান, এ বছর বর্ষার শুরুতেই যে ভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তাতে বিগত বছরের চেয়ে এবার চলনবিলে পানি বেশী। নিচু এলাকার সড়কগুলো পানিতে ডুবে গেছে। এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে ডিঙ্গি নৌকার প্রয়োজন।

অপর এক ক্রেতা মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্ষাকালে হাতে কাজ থাকেনা। তাই ডিঙ্গি নৌকা কিনে মাছ ধরে বাড়তি আয় করতেই হাটে এসেছি ডিঙ্গি নৌকা কিনতে। প্রতিটি ডিঙি নৌকা দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

নৌকা ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানালেন, গত কয়েক বছর নৌকা ব্যবসা মন্দা গেছে। এবার বিলে পানি থাকায় নৌকার চাহিদা বাড়ছে। দিনরাত কাজ করেও নৌকা তৈরীর কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। কাঠমিস্ত্রিদের মজুরী ও কাঠের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর নৌকার দাম বেড়েছে।

কাঠমিস্ত্রি আলী হাছান জানান, প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকার জন্য ৩’শ টাকা মজুরী পান। দিনে ২টি করে ডিঙি নৌকা তৈরী করা যায়।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

আমি এক পয়সা ঘুষ খাব না: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার :: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ...