ব্রেকিং নিউজ

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ফাঁদে পা দেবো না: ব্যারিস্টার মওদুদ

মওদুদ আহম্মেদ বলেন, মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি :: বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহম্মেদ বলেছেন, সরকার যত অপকৌশলই করুক না কেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ফাঁদে পা দেবো না। বাংলাদেশের নির্বাচনে নুন্যতম কোন পরিবেশ নাই। তবুও আমরা এখন পর্যন্ত টিকে আছি। একটি সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বাস করে হাজারো প্রতিকূলতা থাকা স্বত্ত্বেও আমরা নির্বাচন অংশগ্রহনের সিদ্ধান্ত নিই।

তিনি শনিবার সকালে নোয়াখালী আইনজীবি সমিতি মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন। এ সময় নোয়াখালী ৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি ও ঐক্যফন্ট মনোনিত প্রার্থী বরকত উল্যা ভুলু, মোঃ শাহজাহান, জয়নাল আবেদীন ফারুক, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ফজলুল আজিম উপস্থিত ছিলেন।

মওদুদ আহম্মেদ বলেন, প্রতীক বরাদ্ধ পাওয়ার পর থেকে আমাদের প্রতি অত্যাচার ও নির্যাতনের মাত্রা তীব্রতর করেছে সরকার। পুলিশ, সিভিল প্রশাসন সরকারের নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে। জনগণের মৌলিক অধিকারহরণ করা হয়েছে। গত ৩ দিনে ২শত নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি’র প্রচারনার মাইক ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। আমার নির্বাচনী এলাকায় মন্ত্রী এবং এমপি নেতাকর্মী, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের নির্দেশ দিয়েছে যেখানেই মওদুদ সেখানে প্রতিহত কর। পাশ্ববর্তী উপজেলা সোনাগাজী দাগনভূইয়া থেকে মুখোশ পরা হেলমেট মাথায় ভাড়াটিয়া গুন্ডারা সারাদিন নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটাই বাংলদেশের প্রথম নির্বাচন যে নির্বাচনে বেআইনী অস্ত্র উদ্ধারে সরকার বা নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয় নি। এটি নির্বাচনী উৎসব নয় জাতীয় ট্র্যাজেডি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারছি না।

মওদুদ আরো বলেন, আমাদের বিশ্বাস ছিল আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের জেলায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু মন্ত্রী নিজেই সকল প্রটোকল নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো: শাহজাহান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নোয়াখালী এওজবালিয়া ইউনিয়নে নিজেরা হত্যা কান্ড ঘটিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় আসামী করা হয়েছে ৭ বছর আগে মারা যাওয়া লোক এবং গত তিন বছর থেকে প্রবাসে অবস্থান করছে এমন লোক। অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের কর্মকান্ড যেভাবে দেখছি এতে মনে হয় আগামী ৩০ ডিসেম্বর একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কোন ভাবেই অনুষ্ঠিত হবে না। নির্বাচনী মাঠে নামার পর সরকার বুঝে ফেলেছে তাদের অবস্থা ভালো নয়। তাই তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করছে প্রশাসনের সহযোগিতায়।

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

করোনায় আরও ২৩ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক : দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ১ হাজার ৩০৮ ...