নিখোঁজের ৭দিন পর যুবকের  মাটিচাপা দেয়া লাশ উদ্ধার

জহিরুল ইসলাম শিবলু, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর মো. সুমন (২৪) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার বিকেলে উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের উত্তর নাগমুদ গ্রামের মিঝি বাড়ির পরিত্যক্ত বাগান থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় বস্তাবন্দি মো. সুমনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমন কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর সুজানগর গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে ও রামগঞ্জ শহরের সোনাপুর বাজারের একটি মুদি দোকানের কর্মচারী।

এ ঘটনায় একই দোকানের অন্য কর্মচারী মো. সোহেলকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত মো. সোহেল রামগঞ্জ উপজেলার নাগমুদ চৌকিদার মিঝি বাড়ির বাবুল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, রামগঞ্জ পৌর শহরের সোনাপুর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী মো. ইউসুফের দোকানে কুমিল্লার মো. সুমন ও রামগঞ্জের সোহেল হোসেন নামের দুই যুবক বেশ কয়েক বছর যাবত চাকুরি করতো। দীর্ঘদিন একই দোকানে কর্মরত থাকায় সোহেলের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠে সুমনের।

কুমিল্লার সুমন রামগঞ্জের সোহেলকে বেশ কিছু টাকা ধার দেয়। পাওনা টাকা নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো দুজনের মাঝে। চলতি মাসের ২১ জুলাই রাতে সুমন নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর সুমনকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে সুমনের পিতা ২৭ জুলাই রামগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে রামগঞ্জ থানা পুলিশ শনিবার বিকেলে সোহেলের বাড়ি থেকে তার বাবা বাবুল মিয়াকে আটক করে। বাবাকে আটকের খবর পেয়ে সোহেল শনিবার রাতে রামগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করে।

পরে রবিবার বিকেলে সোহেলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রামগঞ্জ উপজেলার নাগমুদ মিঝি বাড়ির পশ্চিম পাশের পরিত্যাক্ত বাগানে মাটিচাপা দেয়া সুমনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘাতক সোহেলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক সুমনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here