নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় মুকুলী মেঘলা (২০) নামের এক গৃহবধূর লাশ রোববার রাতে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দরজার তালা ভেঙ্গে বদ্ধঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাত থেকে ঘরটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল।

ফতুলস্না মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মতিন জানান, নিহত মেঘলা এবং তার স্বামী উভয়ই ফতুল্লার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নগরীতে (বিসিক) অবস্থিত ‘কনক গার্মেন্ট’ এর শ্রমিক। তারা ফতুলস্নার ভোলাইল এলাকার মাহবুব মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

নিহত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে ওসি আরো জানান, একই গার্মেন্ট কারখানায় চাকুরী করার সুবাদে পরিচয়ের সূত্র ধরে গত ১১ মাস পূর্বে তাদের ২ জনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের সাথে পরিবারের কোন যোগাযোগ ছিল না।

শনিবার মেঘলার বড় বোন বকুলীকে তার স্বামী ফোন করে জানান, মুকুলীর শরীর খারাপ। এ খবর পেয়ে ঝালকাঠি বকুলী রোববার বিকেলে ফতুল্লার ভোলাইলে মাহবুব মিয়ার বাড়িতে আসে। কিন্তু দরজা বাইরে থেকে বন্ধ পাওয়ায় সে পুলিশকে খবর দেয়। রাত ৭টায় পুলিশ ঘরের তালা ভেঙ্গে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের লাশ খাটের উপর রেখে মশারী দিয়ে পেচিয়ের রাখা হয়েছিল। লাশের বিভিন্ন স্থানে পঁচন ধরে গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ওই রাতেই মুকুলী মেঘলাকে (২০) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ফেলে রেখে স্বামী তপন হাওলাদার পালিয়ে যায়।

ওসি আরো জানান, নিহতের লাশের ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নিহত মুকুলী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানাধীন ফুলহর গ্রামের কার্তিক বড়ালের মেয়ে

ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডট কম/মাকসুদুর রহমান কামাল/নারায়ণগঞ্জ

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here