ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজধানীতে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে ডেকে নিয়ে ‘ও’ লেভেলের ছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তার সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা। এদিকে, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি সংগঠন মানববন্ধন করেছে।

মর্গের ভেতরে সন্তানের লাশ, বাইরে মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ। প্রিয় সন্তান সুস্থ অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়ে নিথর হয়ে পড়ে আছে, মানতে পারছেন না মা ও স্বজনরা। তাই ঠাঁই বসে আছেন লাশ ঘরের সামনে।

মায়ের দাবি, নির্যাতনের কারণেই শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল মেয়ের। তাই শেষ মুহূর্তে বাঁচার চেষ্টাও করেছিল নির্যাতিতা ওই কিশোরী। জড়িতের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক একমাত্র চাওয়া স্বজনদের।

শুক্রবার (০৮ জানুয়ারি) এ ঘটনার একমাত্র আসামি দিহানকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে তুললে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। পাশবিকতা ও নিষ্ঠুরতার সঙ্গে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান আইনাজীবীরা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান বলেন, ‘অত্যন্ত পাশবিকতার আশ্রয় নিয়ে, নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিয়ে একজন সম্ভাবনাময় একজন মেধাবী ছাত্রীকে সে নির্মমভাবে হত্যা করে। সে তার নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।’

এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছেন নিহত শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা।

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী রাজধানীর ধানমণ্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী । বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে কলাবাগানের ডলফিন গলির বাসায় নিয়ে যায় অভিযুক্ত ওই ছাত্র। ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণ হলে নির্যাতিতাকে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে নিয়ে যান অভিযুক্ত নিজেই। এর মধ্যে নির্যাতিতার মাকে ফোন করে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানায় সে। হাসপাতালে আসার আগেই মেয়ের মৃত্যুর খবর পান মা।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here