স্টাফ রিপোর্টার ::স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমানে দেশের ৯৮ ভাগ মানুষ বিশুদ্ধ পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে। আর বাকি দুই ভাগ মানুষ এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। তারা দূরবর্তী উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে থাকে।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) সংসদে বগুড়া-৫ আসনের সাংসদ হাবিবর রহমানের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের ২০১৯ সালের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার সবার জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিতের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ২১ হাজার ৪৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪৭টি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানির উৎস স্থাপন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে পানি সরবরাহ কাভারেজ শতভাগ উন্নীতের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নলকূপের বিকল্প হিসেবে অন্যান্য পানির উৎস যেমন- পাতকুয়া, বৃষ্টির পানি ধারক, পুকুর পাড়ে বালির ফিল্টার ইত্যাদি স্থাপন করা হচ্ছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, শতভাগ সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৮ হাজার ৮৫০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে পল্লী এলাকায় উপযোগী প্রায় ৬ লাখ ‘সেফলি ম্যানেজড’ পানির উৎস স্থাপনের পাশাপাশি শহরের মত গ্রামে পাইপলাইন প্রদানে ৪৯১টি রুরাল পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম এবং ৮ হাজার ৮৩৮টি কমিউনিটিভিত্তিক পানি সরবরাহ ইউনিট স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি জানান, আর্সেনিক ঝুঁকিপূর্ণ ৩১টি জেলার ১১৭ উপজেলার এক হাজার ২৯০টি ইউনিয়নে প্রায় দুই লাখ নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। হাওড় অঞ্চলের ৬টি জেলার ৫৪টি উপজেলার ৩৪০টি ইউনিয়নে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের লক্ষ্যে পৃথক একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া নতুন ১০০টি পুকুর খনন ও এক হাজার ৮টি পুকুর পুনর্খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here