ব্রেকিং নিউজ

দেশের মানুষ কতটা সুস্থ কতটা সুখী?

জুঁই জেসমিন

 

জুঁই জেসমিন :: জাপানি এক প্রবাদে বলা হয়েছে, ‘নতুন একটি খাদ্য, একটি মানুষের আয়ু বাড়িয়ে দেয়।’  চির সত্য, কিন্তু-
মানসিক দুশ্চিন্তা মানুষের আয়ু, গড় আয়ু থেকে ক্রমশ কমিয়ে নিয়ে আসে- কারণ দুশ্চিন্তা থাকলে কেউই নিয়মের মধ্যে খাওয়াদাওয়ার করতে পারেনা।  আমাদের দেশে মোটা ভাত মোটা কাপড়ের অভাব না থাকলেও দুশ্চিন্তা লেগেই আছে।

চোখ বন্ধ করে একটু ভাবুন তো? আমরা বাংলাদেশের মানুষ- কে কতটুকু সুস্থ, কে কতটুকু সুখী?  নতুন কী এমন খাচ্ছি, ঝাল টক ভাজাপোড়া রকমারি নামের ক্ষতিকর ছাড়া? আমাদের আয়ু বাড়ছে না কমছে? নিশ্চয়ই কমছে।  আমরা কে কতটুকু ভালো আছি কে কতটুকু নিরাপদে আছি? সত্যিই কি নিরাপত্তা বলতে কিছু আছে ? দুশ্চিন্তায় ভুগে না কোন পরিবার?  যদি বলি  আপনার বাবা মা কিংবা আপনার সন্তান পরিবার কতটা ভালো আছে?

সঠিক উত্তর পাওয়া একটু মুশকিল হয়ে যাবে, কারণ প্রত্যেক পরিবারের কেউ না কেউ প্রেসক্রিপশন আর রিপোর্টের ফাইল ধরে নামীদামি দেশ বিদেশের হাসপাতাল ক্লিনিকগুলোতে ছুটতে হচ্ছে। অসুখের দৌড় এখন সাত সাত গুণ স্বপ্নের দৌড়ের চেয়ে বেশি। অসুখ শহর দেখায়, শহর চেনায়,  রঙ বেরঙের মানুষ দেখায়। ভিটেবাড়ি নিঃস্ব করে আকাশ ভেদে বিদেশ দেখায়, অর্থ শুশুক ডাক্তার দেখায়, দালাল দেখায়! এই অসুখের  প্রথম অ শব্দটা আমরা আসলে নিজেই আলিঙ্গন চুম্বন করে নিয়ে আসি জীবনের অনিয়ম তালতলা বাজিয়ে। পসরা পসরা সুখ ক্রয় করি, কিন্তু সুখ নাই  নাই করে আবার চিৎকার চেচামেচি করি। নিজ নিজ সন্তানদের দিকে একটু ভালো করে তাকান- কোন সন্তানটি সুন্দর ফুরফুরে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী? ছেলেটা বা মেয়েটার  অস্বাভাবিক স্বাস্থ্য কিংবা মেয়েটা বা ছেলেটা  বেমানান চিনচিনে পাতলা। এমন অস্বাভাবিক মোটা বা পাতলাকে কোন দৃষ্টিতে বলবো আমার সন্তান সুস্থ ভালো সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ? আমাদের সুন্দর আকৃতি দিনদিন বিকৃতি হওয়ার জন্য মূলত আমরাই দায়ী। দায়ী বাবা মায়েরা।

বাবাদের কথা একটু পরে ভাবছি,  বলছি মায়েদের কথা- সরকারের বিশেষ সুযোগ সুবিধা সেবা দান পাওয়া সত্তেও মায়েরা আজও অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত! মাতৃত্ব কালীন ভাতা’র  প্রবর্তক এ এইচ নোমান ‘বাজেটে মাতৃত্বকালীন ভাতা’, যুগান্তরের এক ‘সুরঞ্জনা’ আড্ডায়  বলেন, “দারিদ্রের উৎস নির্মূলের দিকে নজর না দিলে, দারিদ্র বিমোচন হবেনা।”   সত্যিই তাই -যার উদাহরণ: এক দুয়েকটি না টানলেই নয় -আমার পরিচিত  নূর বানু নামে এক গৃহবধূ  গর্ভাবস্থায় রান্না বান্না, কৃষিকাজের দেখাশোনা এবং কি গাভীর জন্য মাঠে গিয়ে ঘাস কাটা সব নিজ হাতেই করতো। স্বামী রাজধানীর বুকে এক ছোটো খাটো কারখানায় কাজ করেন- যা উপার্জনের অর্থ দিয়ে  প্রতিবছরে জমি এগ্রিমেন্ট নেওয়া হয় আবাদের জন্য।

নূরবানু মাতৃত্ব কালীন ভাতাও পায় কিন্তু ছেলে কোচিং এ যাবে এর জন্য সাইকেলের প্রয়োজন, তাই সে ঋণ নিয়ে সাইকেল কিনে ছেলের জন্য। প্রতি মাসে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হয়।আর গাভীর দুধ বিক্রি করে প্রতি সপ্তাহের আর এক ঋণের কিস্তি ও সংসারের খরচ চালাতে হয়। তার আত্মা ছটপট করে এক কাপ দুধ খেতে,  কিন্তু পারেনা! প্রতিদিনের অবশিষ্ট দুধ ছেলের জন্য রাখতে হয়। আবার  রোজ দু বেলা খাবারের থালায় নতুন কিছু খাবার  এমন; যা কল্পনা করাও যেন ভুল বা পাপ।

যাহোক, নুরবানুর হঠাৎ সন্তান প্রসবের ব্যথা দেখা দিলে, সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে, পাড়াপড়শি তাকে শহরে ক্লিনিকে নিয়ে যায়। শরীর এতোটা দুর্বল ও রক্তশূন্যতা, ডাক্তার কেমনে কি করবে চিন্তায় পড়ে যান। প্রচুর টাকা, প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। নূরবানুর স্বামী দ্রুত বাড়ি এসে গাভী বিক্রি করে টাকা জোগাড় করেন । সিজার করা হলেও বাচ্চাকে জীবিত পাওয়া যায়নি। কৃষিকাজ আর ছেলের পড়াশুনায় এতো বেশি অর্থ লাগে ভাল মন্দ সে মুখে দিতে পারেনি।

এমন হাজারো নূরবানু সুস্থ মা হতে পারেনা,পারেনা সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে দারিদ্রের কারণে। আবার যারা চাকুরীজীবী গর্ভবতী নারী, অনেককেই সেই সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকতে হয়। বেশির ভাগই অনিয়ম অস্বাস্থ্যকর খাবারের ওপর ভর করে জীবন চালিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের। যেখানে দৈনন্দিন হাটাচলা প্রয়োজন, সময়ের অভাবে ইচ্ছে বন্দী যেন।  ধনী গরিব সব শ্রেণীর মায়েরা নানাবিধ সমস্যার কারণে সুস্থ সুন্দর শিশুর জন্ম দিতে পারেনা!
আর জন্ম দিলেও শিশুকে পরিপূর্ণ পুষ্টি দিয়ে বড় করে তুলতে পারেনা।

যাহোক, বয়স্কা এক করিমন খাতুনের কথা বলি,  যে  চোখের ব্যথায় অন্ধ হয়ে মারা যান, মাস ছয়েক আগে। তাদের বাড়িতে আমি এক সময় বেড়াতে গেলে এক আচল অভিযোগ, অভিমানী কণ্ঠে  বুক চেপে কেঁদেকেঁদে প্রকাশ করেন! গ্রামের মেম্বারকে তিনহাজার টাকা দিয়ে হাত পা ধরে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে নেন। কিন্তু বয়স্কা ভাতা তোলার সময় তার ছেলে তাকে সাইকেলে করে নিয়ে যায়, আর সে টাকা মায়ের কাছ থেকে নিয়ে ছেলে কৃষিকাজে লাগায় । ছেলেকে কতশত দিন বলেছে করিমন খাতুন, চোখ অপারেশন করবে সে টাকায়! বউ ছেলে দু’জনার কথা -“বয়স হলে চোখ এমন হবেই,অপারেশন করে কোনো লাভ নেই।” খুব ইচ্ছে করে এটাসেটা খাওয়ার জন্য করিমন খাতুনের, কিন্তু টাকার অভাবে খেতে পারেনি!

এখন প্রশ্ন বয়স্ক ভাতাটা কাকে দেওয়া হয় ছেলের কৃষিকাজের জন্য নাকি বয়স্ক মানুষটাকে? এমন হাজারো করিমনের মতো বয়সী মা , ছেলের কাছে অবহেলিত,  বঞ্চিত তারা সরকারি অধিকার, সুবিধা পাওয়া সত্তেও। এ বিষয়ে  সিনিয়র রিসোর্চ ফেলো,  বিআইডিএস নাজনীন আহমেদ বলেন,
দরিদ্র মায়েরা টাকা পাচ্ছে কিনা এটা যাচাই করে দেখা দরকার।” আর দেশ বরেণ্য ছড়াকার রফিকুল হক দাদু ভাই বলেন-বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্ব কালীন ভাতা যাতে উপযুক্ত মায়েরা সঠিক ভাবে পেতে পারেন- এবং এ ভাতায় যাতে কোনো স্বজন প্রীতি বা দুর্নীতি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।”
সমস্যার পিঠ চাপড়ে সমস্যার জন্ম। আর এই সমস্যার মুখোমুখি বেশির ভাগ মায়েরা।
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেবিকা শ্রেষ্ঠ ডাক্তার এবং কি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলো ‘মা’।
মা মূর্খ হোক কালা হোক,  মা  শুধুই  মা।
যার তুলনা কারো সাথে হয়না।

একজন সুস্থ শিশু কার কাছে আশা করতে পারি? নিশ্চয় মায়ের কাছেই? হ্যাঁ একমাত্র  সুস্থ মায়েই  পারেন সুস্থ শিশু উপহার দিতে, আর কেউ না। স্বাস্থ্য বিষয়ে যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম সেই প্রোগ্রামেই সেদিন বলেন   -” মায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে পরিবারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।”
একদম তাই।
কিন্তু আমরা কি মায়েদের সুস্থ থাকতে দিই? দিইনা। আর দিনের পর দিন মায়েরাও শ্রেষ্ঠত্ব হারিয়ে ফেলছেন কারণে অকারণে।
আগের যুগের কথা বলি,

তখন এক মা কমপক্ষে  বারো হতে পনেরোটি সন্তান জন্ম দিতো, অর্থাৎ প্রতি বছরে একটি করে সন্তান হতো। এক হাতে সংসারের সকল কাজ করে মায়েরা সব সন্তানদের লালন পালনে বড় করতো। আর এ যুগে এক সন্তানকেই বাবা মা সামলাতে পারেননা!
কারণ কি জানেন? জোর ও মনোবল এর অভাব। বিষমুক্ত খাঁটি খাবার খেতেন সেকালের মানুষ,  পরিশ্রমী ছিলেন নারী পুরুষ প্রত্যেকে, আর আয়ু ছিলো দেড়শ বা দুশোর উপর। এতগুলো সন্তান  প্রসব করতো কিভাবে সিজার বা স্টেপ ছাড়াই ভাবুন তো? আর এখন সিজার ছাড়া নরমাল প্রশ্নই আসেনা। তা ছাড়া  উপায় বা কি আছে শরীর যে নেই শক্তি নেই বল ?আর  উপায় থাকলেও এ যুগের চাকচিক্য ক্লিনিক আর চাকচিক্য ডাক্তার বাবুরা, গর্ভবতী মায়েদের সন্তান প্রসব নরমাল ভাবে করার ব্যাপারটা তালাবদ্ধ রাখেন।

তারা গর্ভবতী মায়েদের বুঝান সন্তান নাকি নরমালে হলে বুদ্ধি কম হয় মাথায় প্রেসার পড়ার কারণে, সিজারের শিশু নাকি অনেক সুন্দর ও মেধাবান হয় এমন নানা কথা। ক্লিনিক বা হাসপাতালে যতই সুস্থ অসুস্থ দূর্বল সবল  গর্ভবতী মা যাকনা কেন, সিজার না করা অবধি জব্দ প্রহরীরা পথ ছাড়েন না! এ যুগের ঘরে ঘরে কিছু থাকুক না থাকুক,  সন্তান নিতে গেলে পরিবারের মেরুদণ্ডে দশ হতে পনেরো হাজার টাকা গেঁথে গেঁথে রাখতে হবে শুধু মাত্র সিজারের জন্য।আজ এই সিজারের কারণে ৯৫ ভাগ মা অর্ধপঙ্গু। এই এতো কিছু লেখার কারণ  অসহনীয় এক রাগ বেত্রাঘাত করছে আমায় প্রতিনিয়ত যা আমাদের গ্রাম্য সুলতান ডাক্তারকে দেখে। তিনি এলাকার বেশিরভাগ পরিবারের গর্ভবতী মাকে হাসপাতালের ধারের কাছে যেতে দেননা।  তার নিয়ম নীতি চিকিৎসায় অসংখ্য সাধারণ ঘরের নারীরা খুব সহজেই সিজার ছাড়াই সন্তান জন্ম দিচ্ছে। এবং কি সে মায়েরা মাঠেঘাটে সংসারে কী অসীম ফুরফুরে মন স্বাস্থ্যই কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামের মায়েদের এই সুলতান ডাক্তার যেন এক শান্তির দেবতা ভরসার দেবতা।

শিশুদের কথা ভাবুন, তারা যথেষ্ট  বড় হতে না হতে স্কুলে ভর্তি  করে দিতে হচ্ছে ছয় বছরের আগেই, মানে  তিন চারবছরে স্কুল মুখী  শিশু। সারা দিন স্কুল কোচিং সন্তানদের এই  জগত। পিঠে বই ভর্তি বস্তা ব্যাগ। হয়না খেলাধুলা, সাঁতার কাটা,  টিউবওয়েল চালানো, বা মা বাবার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কৃষিকাজ বা বাড়ির কাজে  সহযোগিতা করা। এসব কি কোনো ছাত্র ছাত্রী করে? করেনা। হাতে রিমোট নিয়ে টিভি দেখা, ফোনে গেম খেলা আর রিক্সা বা গাড়িতে পাঠশালা যাওয়া আসা এই জীবনের আনাগোনা।   শরীরে শক্তি বল থাকবে বা হবে কী  করে?  শহরে তো টিউবওয়েল নেই, এখন গ্রামের মানুষেরাও পাম্পযন্ত্র ব্যবহার করে টেপের সুইচ চাপেই জল খায়, গোসল করে। কোথাও শরীরের জোর খাটাতে হয়না।

এখন কোনো গর্ভবতী নারী বেশি কিছু একটা খেতে গেলেই পাড়াপড়শি থেকে পরিবারের নানান কথা। বেশি খাওয়ার কারণে নাকি বাচ্চা পেটে অস্বাভাবিক বড় হয়, যার কারণে নরমাল ভাবে প্রসব হয়না, সিজার করতে হয়। বেশি শুয়ে থাকার কারণে বেশি বেশি খাওয়ার কারণে ক্লিনিকে ছুটতে হয় সিজার অপারেশনের জন্য – তা কতটুকু সত্য একমাত্র ডাক্তার বিশেষজ্ঞরা ভাল বলতে পারবেন। তবে যে যতই খাইনা কেন, আমরা শরীর নড়াচড়া না করলে অর্থাৎ ব্যায়াম বা খেলাধুলা না করলে হজম ক্ষমতা কমে যায়। যার কারণে এতো রোগ এতো সমস্যা। মেহের আফরোজ  চুমকি-সভাপতি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির  সাবেক প্রতিমন্ত্রী   তিনি – মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ব্যাপারে বলেছেন- ” মা ও শিশুর পুষ্টি  ও মেধা বিকাশের সহায়ক প্রশিক্ষণ   নেওয়া প্রয়োজন। ” অবশ্যই প্রশিক্ষণের বিশেষ প্রয়োজন এবং সেই সাথে মাতৃত্ব কালীন ভাতা প্রচার ব্যাপারটাও সহজসাধ্য হবে প্রত্যেক মায়ের কাছে পৌঁছার ।

এখন কথা হচ্ছে শরীরকে কোনো ভাবেই অলস করে রাখা যাবেনা শরীর সুস্থ রাখার উত্তম পথ খেলাধুলা আর ব্যায়াম।  হাডুডু, কুতকুত, বৌচি, সেফটিপিন চোর,  বাহারি পাতা যোগাড়,  এসব খেলা খেললে মন ও শরীর দুটোই ফুরফুরে থাকে। সব প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা সহ ব্যায়ামের ব্যবস্থা করা দরকার প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে। গার্মেন্টস থেকে শুরু করে সকল স্তরে নারী কর্মজীবী। আর এ নারীরা সিজার করা অবস্থায়  ভারী কাজ করতে পারেনা। সন্তান হলেই জীবনটা বড় আলগা হয়ে যায় তাদের। আগের যুগের মায়েরা এতো গুলো সন্তান যদি প্রসব করতে পারেন সিজার ছাড়াই, তাহলে এ যুগের মায়েরা মাত্র দুটি সন্তান কেন সিজার বা স্টেপ ছাড়াই প্রসব করতে পারবেনা? শরীরকে বাম হাতের মতো নিষ্ক্রিয় না করে ডান হাতের মতো সক্রিয় করে তুললে নিজ ক্ষমতায় অসাধ্য সাধন করা যায়।

বয়স্ক ভাতা,  বিধবা ভাতা আর মাতৃত্ব কালীন ভাতা -যে ভাতাই  হোকনা কেন যার যার প্রাপ্য  তাদের ভোগ করতে দিন ভাল থাকতে দিন, সুস্থ ও হাসিখুশি থাকতে দিন। আমাদের মনে রাখতে হবে, মা ও মাটি এ দুটো উর্বর ও পরিপুষ্ট থাকলে উত্তম ফলাফল আমাদের হাতের মুঠোয়।

 

 

লেখক: মানবাধিকার কর্মী। [email protected]

Print Friendly, PDF & Email
0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

দুর্যোগে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ নবম

ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি শতকের ২০ বছরে বিশ্বের যে ১০টি দেশ সবচেয়ে বেশি ...