স্টাফ রিপোর্টার :: জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, এমপি বলেছেন,  তামাকবিহীন দেশ গড়তে তামাক পণ্যের ওপর আরও কার্যকর করারোপের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি সকল অংশীজনদের সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকালে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত ‘তামাক ব্যবহার কমাতে করারোপ: বাজেট ২০২১-২২-এর ভাবনা’ শিরোনামের ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং সাতক্ষীরা ০৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক রুহুল হক এমপি। মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

ন্যাশনাল টোবাকো কন্ট্রোল সেলের কো-অর্ডিনেটর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরীসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ এই আলোচনায় অংশ নেন। আরও উপস্থিত ছিলেন তামাক-বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

মূল নিবন্ধে অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন তা বাস্তবায়নে তামাকপণ্যের ওপর আরও কার্যকর করারোপ এখন সময়ের দাবি। আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে এ জন্য সিগারেট, বিড়ি, গুল ও জর্দার ঘোষিত খুচরা মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি সবগুলোর উপর সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব তিনি উত্থাপন করেন।

তিনি আরও বলেন, এ প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করা গেলে একদিকে যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষকে ধূমপান থেকে বিরত করা যাবে, অন্য দিকে আহরিত রাজস্ব ১২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে।

অধ্যাপক রুহুল হক এমপি বলেন, তামাকের ওপর বড় মাত্রায় কর আরোপ না করা গেলে তামাক নিয়ন্ত্রণের জাতীয় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি তামাক নিরোধে সামাজিক সচেতনতাও বাড়াতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here