মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। যে কারণে দাম কমেছে। আকারভেদে প্রতি কেজিতে ইলিশে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা কমেছে। তবে বিধিনিষেধের কারণে বাজারে ক্রেতা অনেক কম।

ইলিশ মাছের পাশাপাশি বাজারে মুরগি ও ডিমের দামও কমেছে। মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজারে গতকাল শুক্রবার ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।ঢাকার অলিগলিতেও ব্রয়লার মুরগি ১১০থেকে১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদুল আজহার আগে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ছিল। সোনালিকা (কক) মুরগির দামও কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা কমে এখন ২১০ থেকে ২১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির মতো ডিমের দামও কমেছে। কৃষি মার্কেটের পদ্মা ব্রয়লার হাউসে ফার্মের মুরগির ডিম হালি ৩২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ডজন কিনলে দাম পড়ে ৯২ থেকে ৯৫ টাকা। তবে ঈদের আগে এক ডজন ডিম ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হতো।

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ২৩ জুলাই দেশজুড়ে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধের কারণে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো এখন সকাল নয়টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত খোলা থাকছে। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কাঁচাবাজার এভাবেই চলবে।

ঈদের আগে প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়া চীনা আদার দামও কমেছে। কৃষি মার্কেট ও কারওয়ান বাজারে এক কেজি আদা বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। তবে রসুনের দাম আগের মতোই আছে। বিক্রেতারা আমদানি করা চীনা রসুন প্রতি কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে। দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকা ও আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের পর চালের দামে নতুন করে আর বাড়েনি। কৃষি মার্কেট বাজারে খুচরায় প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গুটি স্বর্ণা চাল প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা, মিনিকেট ৫৮-৬০ টাকা এবং নাজিরশাইল ৬৫-৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here