ডেস্ক রিপোর্ট:: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল সংযুক্তি হবে স্মার্ট বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ টুজি নেটওয়ার্কের যুগে প্রবেশের পর গত ২৬ বছরে দেশের প্রায় শতভাগ এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্ক কাভারেজের আওতায় এসেছে। ভবিষ্যতের জন্য এই কার্যক্রম আরও ব্যাপক আকারে সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) আগারগাঁও বিটিআরসি ভবনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এবং বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ৩ দিনের ১৮তম বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম-২০২৩ সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, স্বাধীনতার ৫২ বছর পরে বাংলাদেশ বর্তমানে যে অবস্থানে এসেছে তা সারা বিশ্বের জন্য রোল মডেল। দেশের তরুণ প্রজন্ম আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকার। বিটিআরসির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য ‘এক দেশ এক রেট’ সেবা চালু হওয়ার কারণে শহর ও গ্রামের মধ্যে ইন্টারনেটের দামের বৈষম্য হ্রাস পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের সুফল ভোগ করতে হলে প্রতিটি নাগরিককে প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। তিনি বলেন, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতির জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।

বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতে গবেষণা ও উন্নয়নে পিছিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি সম্প্রসারণের পাশাপাশি সকলের জন্য স্মার্ট ডিভাইসের সহজলভ্যতাও নিশ্চিত করতে হবে।

মানুষের দৈনন্দিন জীবনধারায় ইন্টারনেট অপরিহার্য হয়ে উঠেছে জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ডিজিটাল সংযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে বিটিআরসি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এসময় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব কে.এম আবদুস সালাম।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, তিনদিনব্যাপী এই সেমিনারে মোট ৮টি সেশনে প্রযুক্তিবিদ, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, টেলিযোগাযোগ খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ উইমেন ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরামের প্রতিনিধিবৃন্দ ও বিটিআরসির কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করছেন।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here