গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ::
সকালে কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিলো দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী হাকিমপুর হিলি উপজেলা। টানা নয় দিন পর আজ দুপুর দিকে সূর্যের দেখা মিললেও নেই কোন সূর্যের তাপ। ভোরবেলা ও রাতে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীতে কাঁপছে এ উপজেলার মানুষ। সকাল বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন। ঘন কুয়াশা আর হিমেল ঠান্ডা বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন।
এ শীতে সবচেয়ে কাবু হয়েছে শিশু বয়স্করা। সেই তীব্র শীত উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা স্কুল মাদ্রাসায় যাচ্ছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে অনেক অংশে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৬ টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনাজপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকাল ৬ টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ৯৭ শতাংশ। গতকাল একই সময় তাপমাত্রা ছিল ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ।
উপজেলার হাতিশোঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নার্গিস পারভীন গত এক সপ্তাহ যাবৎ এ এলাকায় তীব্র শীত। গতকাল দুপুরের পরে পশ্চিম আকাশে সূর্যের দেখা মিললেও কোন তাপ ছিলো না। সকালে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিলো এ এলাকা। কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে আজ দুপুরের দিকে আজ সূর্যের দেখা মিলেছে। সূর্যের তাপ না থাকলেও খুব ভালো লাগছে। তীব্র শীতের কারণে বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে অনেক অংশে।
মোটা জামা কাপড় পরার পাশাপাশি সকালে রাতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে এই উপজেলায় শীতার্ত মানুষরা। গৃহপালিত পশুকে শীত থেকে রক্ষায় পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চটের বস্তা। শীতে জবুথবু হয়েও কাক ডাকা ভোরে অনেক শ্রমজীবী মানুষেরা ঘর থেকে বের হয়েছেন। সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here