ডেস্ক রিপোর্ট : : পেটের মেদ বেড়ে যাওয়া নিয়ে অনেকের চিন্তার শেষ নেই। অফিসে বা বন্ধুদের আড্ডায় এ নিয়ে প্রায়ই খোঁচা খেতে হয়। দাম্পত্য জীবনেও বাদ যায় না মন কষাকষি। পেটের মেদ কমাতে অনেকে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা জিমে ভর্তি হওয়া, অনেক কিছুই করে থাকেন। তবে ঘুমের ধরন পরিবর্তন করেও সুফল পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম ও ক্যালরি ঝরানোর পাশাপাশি দরকার যথেষ্ট পরিমাণ ঘুম। তবে শুধু ঘুমালেই হবে না, তার সঙ্গে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়মও। এতেই ভালো ফল পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে নিয়মগুলো:

# ঘুমানোর আগে প্রথমেই দেখে নিন, ঘর অন্ধকার রয়েছে কিনা। লাইট নেভানোর পাশাপাশি দেখে নিন ঘরের জানালাগুলোতে পর্দার অবস্থান যেন ঠিক থাকে। এসবের পেছনে রয়েছেন বৈজ্ঞানিক যুক্তি। অন্ধকার ঘর শরীরে মেলাটনিন তৈরিতে সাহায্য করে। যা প্রভাবিত করে মেটাবলিক রেটকে। যেটি মেদ কমাতে সাহায্য করে।

# দেরি করে ঘুমানো যাবে না, যথাসময়েই বিছানায় যেতে হবে। এতে গভীর ঘুম হবে, যা শরীরের ক্যালরি বেশি পোড়াতে সাহায্য করে। যত বেশি গভীর ঘুম হবে, তত বেশি কমবে শরীরের মেদ। কারণ, গভীর ঘুমের সময় ব্রেন সব থেকে বেশি অ্যাকটিভ থাকে। যা শরীরের এনার্জি ব্যবহার করে বডি ফ্যাট কমাতে হেল্প করে।

# শুতে যাওয়ার আগে আপনার ঘরের কুলার টেম্পারেচার দেখে নিন। শরীরে যে ব্রাউন ফ্যাট থাকে তা ঠান্ডা পরিবেশে আরও বেশি কার্যকর হয়ে ওঠে। যা ফ্যাট সেলগুলো পোড়াতে সাহায্য করে।

# ঘুমোতে যাওয়ার আগে গ্রিন টি খেতে পারেন। ক্যাফেইন থাকার কারণে গ্রিন টি মেটাবলিজম রেট বাড়ায়। ফলে দ্রুত ক্যালরি বার্ন হয়।

# বিছানায় গিয়ে নিজের প্রিয় ইলেকট্রিক ডিভাইস যেমন মোবাইল, ল্যাপটপ, ট্যাব বন্ধ করে দিন। এই জিনিসগুলো আপনাকে ভালো ঘুম থেকে দূরে রাখে। ফোনের ব্লু লাইট শরীর থেকে মেলাটনিন হরমোন নিঃসরণে বাধার সৃষ্টি করে। যাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here