গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলায় মঙ্গলবার রাতে পৃথক পৃথক ঘটনায় ২ খুনের ঘটনা ঘটেছে।  গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আবু আক্কাস জানান, রাত ৯ টায় ফরিদুল ইসলাম রঞ্জু (৪২) বাড়ী ফেরার পথে বাড়ীর নিকটে কুকরাইল নামকস্থানে অজ্ঞাত দুর্বুত্তরা তারা পথরোথ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে তার লাশ ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা রাত ১২ টার দিকে তার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে। অপর দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের আসমতপুর গ্রামের  আফছার আলীর ছেলে রেজাউল হক (২৪) কে মঙ্গলবার রাতে অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা জবাই করে হত্যা করে তার ব্যবসায়ী হুন্ডা নিয়ে পালিয়ে যায়। পলাশবাড়ী ওসি মতিউর রহমান মতি জানান, নিহত হুন্ডা দিয়ে লোক আনা নেয়ার কাজে ভারায় ব্যবহৃত হতো। ঘটনার দিন ২ অজ্ঞাত ব্যক্তি তার হুন্ডা ভাড়া নিয়ে গিয়ে তাকে ধারালো ছুড়ি দিয়ে জবাই করে হুন্ডা নিয়ে লাশ ফেলে রেখে যায়। পুলিশ উপজেলার কালিকাদহ ব্রীজের নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। একই উপজেলার পলাশবাড়ীর সাতারপাড়া গ্রামের জোহার গোয়ালঘর থেকে নজির হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৫) লাশ পুলিশ শনিবার সকালে উদ্ধার করে। ওসি মতিউর রহমান মতি জানান, জমিজমা সংক্রন্ত বিরোধের জেরে তাকে হত্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকদিন পূর্বে একই উপজেলার সদরের নবাব সুপার মার্কেটে নৈশ্য প্রহরী মতিলাল খুন হন। এই সব খুনের রহস্য পুলিশ অদ্যবধি কোন  উদঘাটন করতে পারেনি এমনকি কোন আসামীও গ্রেফতার হয়নি। গাইবান্ধায় আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতেই ৩ জন খুন হয়েছে। সমপ্রতিক গাইবান্ধা জেলায় খুনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বস খুন রহস্য জনক। এই সব খুনের ঘটনায় পলাশবাড়ীর জনগনের মনে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। রাত ৯টার পর পলাশবাড়ী  শহরে জন শুন্য হয়ে পড়ে।

ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডট কম/ছাদেকুল ইসলাম/গাইবান্ধা

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here