সঞ্জিব দাস,  গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ::
পটুয়াখালীর গলাচিপায় শুক্রবার উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে গ্যাস, জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলম ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আ. রহিমের হত্যার প্রতিবাদে নেতাকর্মীরা গলাচিপা পৌর শহরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে বিভিন্ন ইউনিয়নের সড়কের মোড়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাধার সৃষ্টি করে। এ বাধায় উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান মঈনসহ বিএনপির ১৯ জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 
আহত ৮ জন নেতাকর্মীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত গোলখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নেতা গিয়াস উদ্দিন মোল্লা (৪৫) ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক রাশিদুল হাসানকে (৩৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৪টায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর বাজারের সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধার পরে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক  মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি শাহজাহান খান, সাবেক উপজেলা ব্এিনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান ও মাসুম বিল্লাহ, পৌর যুবদলের আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা যাতে সমাবেশ সফল করতে না পারি তার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সড়কের বিভিন্ন মোড়ে লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা চালিয়ে ১৯ জন নেতাকর্মীকে আহত করেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক সন্তোষ দে বলেন, এটা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা। আর আমরা হামলার সাথে জড়িত নই।
এ ব্যাপারে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমআর শওকত আনোয়ার ইসলাম বলেন, বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশ করবে, আমাদের কোন অনুমতি নেননি।
Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here